শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আশাশুনিতে ঋষি সম্প্রদায়ের ভিটার উপর দিয়ে ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ বন্ধের দাবি

সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগরের কুড়িকাহুনিয়ায় আকস্মিকভাবে দরিদ্র ঋষি সম্প্রদায়ের বাস্তুভিটার উপর দিয়ে ইচ্ছামত ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া এলাকার ঋষি সম্প্রদায়ের দরিদ্র ১১টি পরিবারের পক্ষে আশাশুনি দলিত পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিমাই সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত বছরের ২০ মে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার ভেড়ীবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তির্ণ এলাকা। ওই আঘাতে আমাদের রেকর্ডীয় সম্পত্তিসহ অনেক মানুষের সম্পত্তি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। আমাদের চাষাবাদ সহ সব জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়েগেছে। শুধু মাত্র বাস্তুভিটাটুকু রয়েছে। সেখানেই পরিবার পরিজন নিয়ে ১১টি পরিবার অতিকষ্টে বসবাস করে আসছি। ভেড়ীবাধ নির্মাণের জন্য সে সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সীমানা নির্ধারণ পূর্বক একটি সিডিউল তৈরি করেন। সে অনুযায়ী নির্মাণ কার্যক্রম চলছিল। কিন্তু আকস্মিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তারা ইচ্ছামত উর্দ্ধতন নেতৃত্বের পূর্বের সিডিউল না মেনে আমাদের বাস্তুভিটার উপর দিয়ে ভেড়ীবাধ নির্মাণ শুরু করেন এবং আমাদের গাছপালা শুরু করে এবং বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ার প্রস্তুতি নিলে আমার বাধা দেই। সেকারনে দুইদিন বন্ধ থাকলেও ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরোপুরিভাবে আমাদের বাড়ি ঘর ভেঙে বাধ নির্মাণের কথা জানিয়ে দিয়েছে তারা। অথচ বাধটি সামান্য ঘুরিয়ে নিলে বা পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্মাণ করা হলে আমাদের বসতভিটার কোন ক্ষতিহবে না বা টেকসই ভেড়ীবাধের ও কোন সমস্যা হবে না।

তারা আরো বলেন, এবিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী অনুরোধ করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কোন ভ্রুক্ষেপ করছেন না।
আমরা অতিশয় দরিদ্র ও গরিব মানুষ। আমাদের সামান্য উপার্জনের উপর পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। আমাদের অন্য কোথাও মাথাগোজার মত স্থান নেই বা ক্রয় করারও সামর্থ নেই। এখন সেখান থেকে উচ্ছেদ করা হলে আমাদের রাস্তা উপর বসবাস করতে হবে। তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের একটু সুনজর আমাদের ১১টি ঋষি পরিবারকে রক্ষা করতে পারে। তা নাহলে আমাদের পথে পথে ঘুরতে হবে।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। সাংবাদিক সম্মেলনে দলিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রেসক্লাবের সামনে এব্যাপারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, কৃষ্ণ মোহন ব্যানার্জী, গোপাল কুমার মন্ডল ও ধীমান সরকার প্রমুখ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেতনার তীরে ০৭০৯-এর বৃক্ষরোপণ, নদী ও পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার

সকালের নরম আলো তখন নদীর জলে এসে পড়েছে। বেতনার তীরে শাল্য মাছখোলাবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্ব পাওয়ায় আইনমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতবিস্তারিত পড়ুন

দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক, সমাজসেবক জি.এম নূরবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক
  • সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
  • সাতক্ষীরার দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা সাংবাদিক ফোরামের শোক
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি. এম. নুর ইসলামের মৃত্যুতে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের শোক
  • সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলামের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক
  • বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা
  • সাতক্ষীরা ডিবি গার্লস হাইস্কুলে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুম্নবী (সা.) উদযাপন
  • ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
  • সাতক্ষীরার রইচপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে জশনে জুলুস র‍্যালি অনুষ্ঠিত