মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গুটি গুটি আম পরিপক্ক আমে পরিণত হচ্ছে

কলারোয়ায় আম চাষীদের ভাগ্য বাতাসে ঝুলছে

মোস্তফা হোসেন বাবলু : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে আমের গুটি। চলতি মৌসুমে অনুকুল আবহাওয়ায় গুটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা কম। তাই এবারও আমের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন আম চাষিরা।

গত ৪ বছরের সারাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিভিন্ন প্রকার ঝড়,করোনা মহামারী থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এবার বিদেশে রপ্তানিও করা যাবে বলে, মনে করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম গাছ গুলোতে ছোট বড় আকারে গুটিতে ভরে গেছে। অনেক বাগানে এখন পরিপূর্ণ আমে ধরণ আসতে শুরু করেছে। সময়ের ব্যবধানে ধীরে ধীরে আম বড় হচ্ছে। এ বছর গাছে গুটির পরিমান বেশি। তাই বাতাসে দুলছে আমচাষীদের ভাগ্য।আমচাষী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তারা এবারও কলারোয়া উপজেলায় আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন।তাদের বক্তব্য- প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে পাশাপাশি ভালো মতো পরিচর্যা হলে চলতি মৌসুমে আমের ফলন গত সকল মৌসুমকে টপকে যাবে।

তাই আশায় বুক বেধে আম চাষিরা আগাম শুরু করেছেন পরিচর্যা। তাদের একমাত্র ভরসা চলতি মৌসুমে তারা আম থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

মৌসুমি আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা জানান- প্রকৃতি এরকম থাকলে ফলন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। এরমধ্যে হিমসাগর, ন্যাড়া, গোবিন্দভোগ, মল্লিকা, আম্রপালি, বোম্বাই, লতা, দেশীয় লতা ইত্যাদি।

তারা আরো জানান- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শে গাছে মুকুল আসার ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই তারা পুরো গাছ সাইপারম্যাক্রিন ও কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করে গাছ ধুয়ে দিয়েছেন। এতে গাছে থেকে শোষক জাতীয় পোকা নিধন হয়েছে।

উপজেলার ইংলিশপুর গ্ৰামের রফিকুল ইসলাম মিলন হ জানান- এ বছরের আবহাওয়া আমের জন্য কিছুটা অনুকুলে রয়েছে। কিছুই দিন আগে যে হালকা বৃষ্টি হয়েছে তাতে আমের জন্য খুব ভালো হয়েছে। । এর মধ্যে অনেক গাছে গুটি ছাড়িয়ে আমে পরিণত হয়েছে।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম ইনামুল হক জানান- ধান, পাট বা অন্য ফসলের মত আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও কৃষি অধিদফতরের কাছেই থাকে। কারণ কলারোয়া উপজেলার আম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারে যায়। এ বছর উপজেলায় আমচাষ হয়েছে ৫৯০ হেক্টর। প্রতি হেক্টর জমিতে ৩৫ থেকে ৪০ মন আমের উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ার চন্দনপুরে ইউনিয়ন আঞ্চলিক হাজী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কলারোয়ার চন্দনপুরে ইউনিয়ন আঞ্চলিক হাজী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। চন্দনপুর ইউনাইটেড কলেজ মোড়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় বাছাইয়ে কমিটি গঠন

কলারোয়ায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’২০২৬ এর এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে রায়টাকে হারিয়েছে স্বাগতিগরা

কলারোয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে রায়টা সবুজ সংঘ স্পোটিং ক্লাবকে ২-০গোলে হারিয়েছে কলারোয়াবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় জেলা প্রশাসক ফুটবল টূর্ণামেন্টের প্রস্তুতি সভা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়
  • কলারোয়ায় ড্রাগন ফল চাষে সফল মাসুম
  • কলারোয়ায় জন্মাষ্টমী উদযাপনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রস্তুতিমূলক সভা
  • নাগরিক অধিকার সুরক্ষা নেটওয়ার্কের সাধারণ সভা
  • কলারোয়া বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় কাঁচা ঝালের কেজি ২৮০ টাকা
  • কলারোয়া থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার-৪
  • সোনাবাড়িয়ায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • মুম্বাই থেকে আটক করে আসাম সীমান্তে ‘পুশব্যাক’, নির্যাতিত ভারতীয় নারী এখন কলারোয়ায়
  • ম্যাথ একাডেমির আয়োজনে প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
  • কলারোয়ায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতার সমাপ্তি