জোটে নয়, ২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮ আসনে একক নির্বাচন করবে। তাদের সব প্রার্থীকে সেভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরোনো পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
এসময় জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলন ২৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে দুজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বাকিদের এখন ভোটের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। দলটি জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতায় নির্বাচনে যাচ্ছে না।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমাদের ভোট নিয়ে যারা সংসদে যাবেন, তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। যেখানে আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা নেই, আস্থা নেই, সেখানে থাকা যায় না। এছাড়া জামায়াত আমির বলেছেন, জিতলে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় সরকার গঠন করবেন। আগামীতে জাতীয় সরকার হবে কি না…ঐক্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে দেশ চালানোর ঘোষণা জামায়াত এককভাবে দিয়েছে। এটা তো মানা যাবে না।’
‘আমরা অত্যন্ত শঙ্কিত যে, আগামী দিনে আসলে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কি না। আমাদের মধ্যে এই আশঙ্কা প্রবল হয়েছে যে, আমাদের সঙ্গে ঐক্য করে পর্দার আড়ালে বা তলে তলে অন্য কোনো পরিকল্পনা করা হচ্ছে কি না। আজ এই বিষয়গুলো জনগণের সামনে প্রকাশ করা জরুরি বলে আমরা মনে করছি। জনগণ পরিস্থিতি উপলব্ধি করছে। আমাদের কাছেও বিভিন্ন দিক থেকে নানা ধরনের সংবাদ আসছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে কী ধরনের পরিকল্পনা বা সমন্বয় করা হচ্ছে, তা আমাদের কাছে এখনো অস্পষ্ট,’ যোগ করেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা।
নির্বাচনি প্রস্তুতির বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার জানিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘সারাদেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬৮টি আসনে আমাদের প্রার্থী রয়েছে। বাকি ৩২টি আসন বর্তমানে ফাঁকা। তবে সেই আসনগুলোতেও আমরা সমর্থন দেব। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব ঠিক কাদের আমরা সমর্থন দিচ্ছি। এক্ষেত্রে আমাদের নীতি, আদর্শ এবং লক্ষ্যের সঙ্গে যাদের মিল থাকবে, তেমন যোগ্য প্রার্থীদেরই আমরা ইনশাআল্লাহ সমর্থন জানাবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে গোটা বাংলাদেশের ৩০০ আসনেই জনগণ চরমোনাই তথা ইসলামের সপক্ষে রায় দেবে। আগামী নির্বাচনে যেন সেই জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটে, আমরা ইনশাআল্লাহ সেই ব্যবস্থাই গ্রহণ করবো।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ১১ দলীয় জেটের আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়। এতে বলা হয়, জামায়াত ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে। এছাড়া এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি তিন, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) সাত, বাংলাদেশ ডেপেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দুই ও নেজামে ইসলাম পার্টি দুটি আসনে লড়বে। তখন অন্য তিন দলের আসন ঘোষণা করা হয়নি। এতে ছিল ইসলামী আন্দোলনসহ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপা।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়
যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

