বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নড়াইল থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল!

বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা। যার বাংলা নাম শাপলা, ইংরেজী নাম হল লিলি। মনিপুরী ভাষায় থরো আংগৌবা, তামিল ভাষায় ভেলাম্বাল, সংকৃত ভাষায় কুমুডা, আসাম ভাষায় এই শাপলা ফুলকে নাল বলা হয়। শুধু বাংলাদেশ নয় শ্রীলংকারও জাতীয় ফুল এই শাপলা। শ্রীলংকায় শাপলাকে বলে নীল-মাহানেল। গ্রীক দার্শনিক পে¬টো ও এরিস্টটল এর এক শিষ্য থিউফ্রাস্টাস বলেছেন এটা একটি জলজ উদ্ভিদ যা প্রায় ৩’শ খৃষ্টপূর্ব পুরানো। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সাধারণতো পাঁচ প্রকার শাপলা ফুল দেখা যায়। সাদা, লাল, বেগুণী, হলুদ, নীল রঙ্গের। এর মধ্যে সাদা শাপলা হলো বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জের আনাছে কানাছে ডোবায় অহরহ দেখা যেত এই জলে ভাসা ফুল। তবে অযত্ন অবহেলা আর কৃষি জমিতে অধিক পরিমানে কীট নাশক ও রাসয়নিক সার ব্যবহার করার কারণে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। নড়াইল জেলার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিছু সাদা শাপলা দেখা গেলেও লাল, হলুদ, নীল, বেগুণী শাপলা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় খাল-বিল জলাশয় ও নিচু জায়গায় পানি জমা থাকলে সেখানেই প্রাকৃতিক ভাবেই জন্ম নেয় আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। কিছু দিন আগেও জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে শাপলা ফুল দেখা যেত। তখন পুকুর খাল বিল ও জলাশয় গুলিতে লাল গোলাপী, সাদা, বেগুণী, নীল ও বিরল প্রজাতির হলুদ শাপলা ফোঁটার কারণে চারিদিকে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্যে পরিণত হতো । বর্তমানে সাদা প্রজাতির শাপলাগুলি বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেলেও দেখা যাচ্ছেনা গোলাপী, বেগুণী, নীল ও হলুদ শাপলা। এসব শাপলা হারিয়ে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে বলে নানা জনের নানা অভিযোগ রয়েছে। কারো কারো মতে কপোতাক্ষের নাব্যতা হ্রাস খাল বিল ও জলাশয় ভরাট করে কৃষি জমি তৈরী ঘর বাড়ী তৈরী ফসলী জমিতে মাত্রতিরিক্ত কীঠনাশক ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তেনের কারণে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময়ে ঝিলে বিলে পুকুরে বর্ষা মৌসুমে নানা রঙ্গের শাপলার বাহারী রূপ মানুষের নয়ন জুড়িয়ে যেত। শাপলা ছোটদের খুব প্রিয়। শাপলার ড্যাপ বাচ্ছাদের প্রিয় খাদ্য এবং গ্রামের লোকেরা ড্যাপ দিয়ে খই ভেজে মোয়াসহ বিভিন্ন প্রকার সুস্বাদু খাবার তৈরী করে থাকে। গ্রামগঞ্জের মানুষের কাছে সব্জী হিসেবেও খুব জনপ্রিয় এই শাপলা। অনেকে আবার শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বহ করতো। এছাড়া লাল শাপলার অনেক ঔষধি গুন রয়েছে। যেমন শাপলার মোতা খেলে আমাশয়ের মত রোগ ভালো হয় বলে জানা যায়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

স্পেনের ছোট্ট গ্রাম ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’-তে একসাথে দেখা যাবে দুই সূর্যাস্ত

স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় বার্গোস প্রদেশের ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’ নামের মাত্র ১০ জন বাসিন্দারবিস্তারিত পড়ুন

একরাতেই মানচিত্র থেকে উধাও ভারত, স্যাটেলাইট ছবিতে অবিশ্বাস্য দৃশ্য!

২২ জুলাই ভোররাত ৩টার দিকে ভারতের মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিকবিস্তারিত পড়ুন

  • মেট্রোতে হেডফোন ছাড়া ভিডিও দেখলেই জরিমানা
  • আর্জেন্টিনার প্রেমে হাবুডুবু সমর্থকের, পুরো শরীরে আঁকলেন পতাকা
  • খাদ্যের সন্ধানে যশোরের রাজগঞ্জে একসাথে ১৫টি হনুমান!
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের : দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ
  • দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে: প্রধানমন্ত্রী
  • ডুমুরিয়ায় পোল্ট্রির দুর্গন্ধে বন্দি এক গ্রাম, মেয়ে দেখতে এসে ফিরে যায় পাত্রপক্ষ!
  • আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ কেন
  • একটি জার্সির দাম যে কারণে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা
  • ফুটবল ইতিহাসের ৯ বড় অঘটন
  • ৬৮ বছরেও কেউ স্পর্শ করতে পারেনি বিশ্বকাপের যে রেকর্ড
  • যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ফুটবলকে কেন ‘সকার’ বলা হয়?
  • ১৯৭ কিলোমিটার পথ গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী