বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার চেক পেয়েছে মণিরামপুরের হাত পা বিহীন শিক্ষার্থী লিতুন জিরা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তার ৫ লাখ টাকার চেক পেয়েছে হাত পা বিহীন জন্ম নেওয়া অধম্য মেধাবী শিক্ষার্থী যশোরের মণিরামপুরের লিতুন জিরা।

রবিবার (৩ এপ্রিল-২০২২) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সে এ চেক গ্রহণ করে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া লিতুন জিরার হাতে চেক তুলে দেন।

মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক আমিনুদ্দিন, মিলন ঘোষাল, লিতুন জিরার বাবা প্রভাষক হাবিবুর রহমান, মা জাহানারা খাতুন, মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাহার হোসেন প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে গত ৩ মার্চ গোলাম রব্বানীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার ইচ্ছে নিয়ে চিঠি লেখেন লিতুন জিরা। তখন লিতুন জিরার লেখাপড়ার জন্য আর্থিক সহায়তার দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন গোলাম রব্বানী। এরপর প্রধানমন্ত্রী নিজের ‘ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে লিতুন জিরার জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। গত ২৮ মার্চ ডাক যোগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পান লিতুন জিরার বাবা। চিঠি পেয়ে তিনি মেয়েকে নিয়ে গত শনিবার রাতে ঢাকায় রওনা হন।

লিতুন জিরার বাবা হাবিবুর রহমান বলেন- আজ রবিবার সকালে মেয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার পাঁচ লাখ টাকার চেক পেয়েছি। মেয়ের ডাক্তারি পড়ার শখ। তার লেখাপড়ার পিছনে এ টাকা ব্যয় করবো।জ্ঞ

হাবিবুর রহমান বলেন- প্রধানমন্ত্রীকে নিজের গল্প শোনাতে চেয়েছিলো লিতুন জিরা। ব্যস্ততার কারণে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) লিতুন জিরার সাথে দেখা করার সুযোগ পাননি।

২০০৮ সালে মণিরামপুরের শেখপাড়া খানপুর গ্রামে হাবিবুর-জাহানার খাতুনের কোল জুড়ে আসে লিতুন জিরা। ছেলে ইশতিয়াক আহমেদ সাজুর পর জন্ম হয় হাত পা বিহীন মেয়েটির। লিতুন জিরার দুই পা নেই। নেই দুই হাতের কনুইয়ের নিচের অংশ।

প্রতিবন্ধী হলেও ছোটবেলা থেকে লেখাপড়ার খুব আগ্রহ লিতুন জিরার। ডান হাতের বাহুর আগা দিয়ে কলম চেপে ধরে চোয়াল (মুখ) দিয়ে লিখে ২০১৯ সালে স্থানীয় খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সে পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও বৃত্তি পায়। বর্তমানে সে গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮ম শ্রেণিতে পড়ছে। ৬৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে লিতুন জিরা প্রথম। নিয়মিত বাবা-মার কোলে চড়ে সে ক্লাসে যায়।

লিতুন জিরার বাবা মণিরামপুরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এআর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক। ২০ বছর বিনা বেতনে তিনি সেখানে কর্মরত আছেন। তিনি উপজেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদকও।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘২৫ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট’ অফারের ফাঁদে নতুন প্রতারণা, ওটিপি দিলেই ঝুঁকিতে ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ

“২৫ জিবি প্রিমিয়াম ডেটা একদম ফ্রি”, “সব মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষবিস্তারিত পড়ুন

মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ দ্রুত প্রদানের দাবি

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের প্রদত্ত উপবৃত্তির অর্থবিস্তারিত পড়ুন

মনিরামপুরে বাবার বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, সন্দেহের তীর স্বামীর দিকে

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মনিরামপুরে তাসলিমা খাতুন ময়না (২৩) নামে পাঁচবিস্তারিত পড়ুন

  • মনিরামপুরে মৎস্য খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে চারা মাছ বিতরণ
  • মালয়েশিয়ায় হরিহরনগর গ্রামের যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া
  • যশোরের ঝাঁপা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন শিক্ষক-সাংবাদিক আছাদুজ্জামান
  • রাজগঞ্জে সরকারি কবরস্থানের দাবিতে এলাকাবাসী সোচ্চার
  • এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র মুক্তারপুর বাজার নদীপথের ঐতিহ্য বহনকারী বাজার এখন জরাজীর্ণ
  • মনিরামপুরে বসুন্ধরা-শুভসংঘের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা
  • মনিরামপুরে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
  • মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষার্থী নিহত
  • মনিরামপুরে দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন
  • নাগরিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মনিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
  • রাজগঞ্জ-পুলেরহাট-ত্রিমোহিনী সড়কে বেপরোয়া যানবাহন : ঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা
  • রাজগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ধূমপান: কিশোরদের আসক্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগের দাবি