বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মণিরামপুরে কর্মসৃজন কর্মসূচির কাজ করেও ২ হাজার শ্রমিক মজুরি পাননি

যশোরের মণিরামপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচির ৪০ দিনের কাজ শেষ হলেও প্রায় ২ হাজার শ্রমিকের কেউ এখনো মজুরি পাননি। প্রতি সপ্তাহে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধের কথা থাকলেও এবার পুরো কাজ শেষ হয়ে প্রায় সপ্তাহখানেক সময় চলে গেলেও তারা টাকার দেখা পাচ্ছেন না।

শ্রমিকদের অভিযোগ- উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানদের সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

পিআইওর কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে- মণিরামপুরে কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পের ৪০ দিনের কাজ শুরু হয় ১১ এপ্রিল। নানা কারণে চার দিন বাদ দিয়ে ৩৬ দিন কাজ হয়েছে। ৩ জুন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে ৪৬ প্রকল্পে ১ হাজার ৯৫৬ জন শ্রমিক কাজ করেছেন। তাদের দৈনিক মজুরি ৪০০ টাকা।

শ্রমিকেরা জানান- মজুরির টাকা দিয়ে টেনেটুনে তাদের সংসার চলে। এবার কাজ শেষ হয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ আগে কিন্তু একটি টাকাও পাননি। টাকার জন্য চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে ধরনা দিয়েও কাজ হচ্ছে না। এখন ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে।

উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শ্রমিক জীবন মণ্ডল বলেন- গরিব মানুষ। কর্মসৃজন কাজের টাকায় মেয়ের লেখাপড়া ও সংসার চলে। এবার কাজের টাকা পাইনি। সমিতির লোন তুলে অসুস্থ স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে হচ্ছে।

রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বলেন- ইউনিয়নে ১৩৯ জন শ্রমিক আছেন। কাজ চলা অবস্থায় ২০ দিনের বিল করে পিআইও অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। দুই দিন আগে আবার ১৬ দিনের বিল জমা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো শ্রমিক এখনো মজুরি পাননি। আজও দুজন শ্রমিক এসে কবেনাগাত টাকা পাওয়া যাবে সেটা জানতে চেয়েছেন।

মণিরামপুরে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ দেখভাল করেন পিআইও দপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী গোলাম সরোয়ার। তিনি জানান- কর্মসৃজন কাজের শ্রমিকদের মজুরি প্রতি সপ্তাহে পরিশোধ করার নিয়ম। কিন্তু ঢাকা থেকে তাদের ২০ দিন করে বিল পাঠাতে বলে। বিল পাঠানোর ১ মাস ১০ দিন পর শ্রমিকদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব নম্বরে টাকা ঢোকে। এবার শ্রমিকদের কাজের প্রথম ২০ দিনের বিল গত মাসের ২৩ তারিখ ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শেষের ১৬ দিনের কাজের বিল পাঠানোর কার্যক্রম চলছে।

সরোয়ার বলেন- ২০ দিন কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চেয়ারম্যানদের বিল প্রস্তুত করে দিতে বলি কিন্তু তারা গড়িমসি করেন। আবার ১৭ ইউনিয়নের বিল একসঙ্গে করে না পাঠালে অফিস গ্রহণ করে না। ঢাকায় কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে শ্রমিকেরা ২০ দিনের টাকা পাবেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও, ভারপ্রাপ্ত) আরাফাত হোসেন বলেন- আগে কর্মসৃজন প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা আমাদের হাতে আসত। এখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি শ্রমিকদের মোবাইলে টাকা ঢোকে। আমরা শুধু বিল করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেই। এবারও বিল পাঠানো হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন

নাসিব হাসান রিয়ান। প্রতিভাবান টগবগে যুবক। অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।বিস্তারিত পড়ুন

মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

যশোরের মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধানবিস্তারিত পড়ুন

রাজগঞ্জে হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি : ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন হোটেল ওবিস্তারিত পড়ুন

  • যশোরের রাজগঞ্জের মোবারকপুরে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর! মিলছে না প্রতিকার
  • মণিরামপুরের জালঝাড়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ*ত্যু
  • শিশু আরাফাতের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন
  • যশোরের রাজগঞ্জে বাওড় থেকে ভ্যানচালকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
  • রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে থেমে নেই যশোরের মনিরামপুরের কৃষকদের কর্মযজ্ঞতা
  • ভবদহ অঞ্চলের ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ মাছের ঘের নির্মাণের অভিযোগ
  • যশোরের মণিরামপুরে পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক
  • মনিরামপুরে ভারী বর্ষণে সড়কে ধস
  • স্মার্টফোনের যুগেও গ্রামের চায়ের দোকানে টিকে আছে আন্তরিকতার আড্ডা
  • মণিরামপুরে স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  • রাজগঞ্জের ‘সন্দেশ দাদু’ : সংগ্রাম আর ভালোবাসার এক অনন্য গল্প
  • যশোরের মণিরামপুরের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে পড়া সড়ক ও সেতু পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক