রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

লোকসভার সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা, ওয়াকআউট করে ক্ষোভ প্রকাশ

ভারতের লোকসভার বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই সর্বদলীয় বৈঠকে প্রায় অচেনা একটি রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে তীব্র ক্ষোভ ও নাটকীয় ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই) নামক এই দলটিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোয় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা যে দলে যোগ দিয়েছেন, সেই এনসিপিআইকে বৈঠকে ডাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে মহুয়া মৈত্রের নেতৃত্বে তৃণমূল সদস্যরা হল ছাড়েন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, সিপিএম, ডিএমকে, আম আদমি পার্টিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তবে কিছুক্ষণ পরই তারা বৈঠকে ফিরে আসেন।

গত এপ্রিলের নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারানো তৃণমূল এখন ভেতরে-বাইরে চাপে। দলের ২০ জন সাংসদ ইতিমধ্যে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে তারা এখন এনসিপিআইয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন।

কিন্তু স্পিকার এখনও এই বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানাননি। লোকসভার ওয়েবসাইটেও এখনও তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদই দেখানো হচ্ছে।
এর মধ্যে সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু গত শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে এনসিপিআই নেতা হিসেবে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান। একই চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে এনসিপিআই-এর চিফ হুইপ বলে উল্লেখ করা হয়।

তৃণমূল নেতারা এটাকে ‘গণতন্ত্রের উপহাস’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যসভা সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন এক্সে বলেন, প্রতারণা। বিশ্বাসঘাতকদের এখনও তৃণমূলের সাংসদ বলা হচ্ছে, অথচ মন্ত্রী তাদের নতুন দলের এমপি হিসেবে বৈঠকে ডাকছেন।

২০২৩ সালে গঠিত এনসিপিআই দলটি গত মাস পর্যন্ত একেবারেই অপরিচিত ছিল। তৃণমূলের বিদ্রোহীরা যোগ দেওয়ার পরই দলটির নাম সামনে আসে। সরকারি সূত্র বলছে, বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেরাই জানিয়েছেন যে তারা আর তৃণমূলের অংশ নন। তাই সব দল ও গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই স্পিকার এনসিপিআই-কে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারেন। যদি তা হয়, তাহলে সংসদীয় ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।

একই লোকসভা সচিবালয়ের নথিতে মহারাষ্ট্রের শিবসেনার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের খবর উঠে এসেছে। উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠী থেকে আসা ছয় সাংসদকে একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, তৃণমূলের মতোই শিবসেনাও ভাঙনের মুখে পড়েছে এবং বিদ্রোহীরা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তারেক রহমানের দিল্লি সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে?

চলতি মাসের শুরুতে ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাঠানো একটি বার্তা দ্রুত কূটনীতিকবিস্তারিত পড়ুন

এক সপ্তাহেও কাটেনি সংকট, কলকাতায় হোটেল না পেয়ে দিশাহারা বাংলাদেশিরা

এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কলকাতায় চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশিদের হোটেলবিস্তারিত পড়ুন

ভারত ধর্মশালা নয়, নাগরিকরাই থাকবেন: অনুপ্রবেশ নিয়ে অমিত শাহ

ভারত কোনো ধর্মশালা নয়, দেশের মাটিতে বসবাস এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারবিস্তারিত পড়ুন

  • হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত অস্থিরতা, অচলায়তন ভাঙবে কীভাবে?
  • বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পথে চাকরিপ্রার্থীরা, জলকামান চালাল পুলিশ
  • সাতক্ষীরায় উদ্বোধন হলো কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টার
  • দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সীমান্ত হাট পুনরায় চালুসহ বহু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • কলকাতায় হোটেল ছাড়তে হচ্ছে বাংলাদেশিদের, থাকার খরচ বেড়ে তিনগুণ
  • তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক?
  • বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা চুক্তি নবায়ন, বিহারের আপত্তি নিয়ে যা বলল দিল্লি
  • ভারতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলদেশি, হোটেল মালিক গ্রেপ্তার
  • কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: দেশে ফিরলো ৬ বাংলাদেশির মরদেহ
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত
  • গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রযুক্তিগত পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে: জয়সওয়াল
  • কলকাতা থেকে দুই সীমান্ত দিয়ে ফিরছে ছয় বাংলাদেশির লাশ