মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা টহল, রাষ্ট্রদূতকে তলব

বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের গতিবিধি গত কয়েকদিনে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে এ ধরনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাবার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ জানিয়ে রবিবার একটি চিঠি দেয়া হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গত শুক্রবার থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে বলে দেখা গেছে। সীমান্ত এলাকার অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের ”ব্যাপক সংখ্যক” উপস্থিতি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

যদিও সেটাকে সৈন্য সমাবেশ বলতে চাননি কর্মকর্তারা।

এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানোর জন্য রবিবার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডাকা হয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণ কী?

সাধারণত দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল যদি বাড়ে, এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূতকে ‘তলব’ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় সেনা টহল বেড়েছে, কিন্তু কোনো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়নি, সে কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা খবর পেয়েছেন সেনা টহল দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একেবারে কাছ ঘেঁষে হচ্ছে না।

কিন্তু তারপরেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের টহল বাড়ানোর ঘটনা দেখা যায়নি বলেই প্রাথমিকভাবে উদ্বেগ বা কনসার্ন বোধ করেছে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া যেহেতু সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সেনা টহল লক্ষ করা গেছে, কর্মকর্তারা মনে করছেন ভবিষ্যতে সেটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এজন্যই আনুষ্ঠানিকভাবে সেটা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এখানে আরো একটি বিষয় রয়েছে, মিয়ানমারের এই সেনা টহলের একটি অংশ হয়েছে সিভিলিয়ান বাহনে করে, অর্থাৎ মাছ ধরার নৌকায় করে।

আর যে তিনটি পয়েন্টে তাদের দেখা গেছে সেগুলো হল কা নিউন ছুয়া, মিন গালারগি ও গার খুইয়া আর এই জায়গাগুলো মূলত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা।

এটাকে সন্দেহজনক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

কারণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল বাড়লে পরে, হয়ত সেখানকার মুসলমানদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যার ফলে আরো কিছু লোকজন হয়ত বাংলাদেশে ঢুকে পড়তে চাইবে, তারও একটা ঝুঁকি তৈরি হয়।

ফলে এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে মিয়ানমারকে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

একই রকম সংবাদ সমূহ

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য প্রত্যাশিতভাবে দায়িত্ব পালনবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা অংশ নিতে পারবেন না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ডিআইজি, অতিরিক্তবিস্তারিত পড়ুন

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ফিরলো পুরোনো নিয়ম
  • গাজী নজরুলের বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নিয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ
  • শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, বিভেদ নেই: তারেক রহমান
  • দিল্লির প্রেস মিনিস্টার হলেন কলারোয়ার সন্তান সাংবাদিক সাইদুর রহমান
  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
  • গ্রেপ্তার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সামরিক আদালতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০০ ব্রডগেজ রেলকোচ, সরবরাহ শুরু আগস্টে
  • বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
  • পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি
  • চূড়ান্ত পর্যায়ে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
  • পরাজয়ে শুরু সিরিজ জয়ে শেষ জিম্বাবুয়ে সফর