মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা টহল, রাষ্ট্রদূতকে তলব

বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের গতিবিধি গত কয়েকদিনে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে এ ধরনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাবার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ জানিয়ে রবিবার একটি চিঠি দেয়া হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গত শুক্রবার থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে বলে দেখা গেছে। সীমান্ত এলাকার অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের ”ব্যাপক সংখ্যক” উপস্থিতি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

যদিও সেটাকে সৈন্য সমাবেশ বলতে চাননি কর্মকর্তারা।

এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানোর জন্য রবিবার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডাকা হয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণ কী?

সাধারণত দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল যদি বাড়ে, এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূতকে ‘তলব’ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় সেনা টহল বেড়েছে, কিন্তু কোনো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়নি, সে কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা খবর পেয়েছেন সেনা টহল দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একেবারে কাছ ঘেঁষে হচ্ছে না।

কিন্তু তারপরেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের টহল বাড়ানোর ঘটনা দেখা যায়নি বলেই প্রাথমিকভাবে উদ্বেগ বা কনসার্ন বোধ করেছে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া যেহেতু সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সেনা টহল লক্ষ করা গেছে, কর্মকর্তারা মনে করছেন ভবিষ্যতে সেটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এজন্যই আনুষ্ঠানিকভাবে সেটা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এখানে আরো একটি বিষয় রয়েছে, মিয়ানমারের এই সেনা টহলের একটি অংশ হয়েছে সিভিলিয়ান বাহনে করে, অর্থাৎ মাছ ধরার নৌকায় করে।

আর যে তিনটি পয়েন্টে তাদের দেখা গেছে সেগুলো হল কা নিউন ছুয়া, মিন গালারগি ও গার খুইয়া আর এই জায়গাগুলো মূলত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা।

এটাকে সন্দেহজনক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

কারণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল বাড়লে পরে, হয়ত সেখানকার মুসলমানদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যার ফলে আরো কিছু লোকজন হয়ত বাংলাদেশে ঢুকে পড়তে চাইবে, তারও একটা ঝুঁকি তৈরি হয়।

ফলে এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে মিয়ানমারকে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

একই রকম সংবাদ সমূহ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: সংসদে মির্জা ফখরুল

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনবিস্তারিত পড়ুন

জিডি ও মামলা করার সময় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হচ্ছে না তাই দেশে ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেড়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ধর্ষণের ঘটনা বা পরিসংখ্যান বৃদ্ধির পেছনের মূল কারণবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • ১টি নতুন থানা ও ৩টি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের
  • খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
  • জুলাইয়ে ৬ হত্যা: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
  • ‘হাসানুল হক ইনুর রায়ে মোটেই সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ, আপিল হবে’ : চিফ প্রসিকিউটর
  • জুলাই মাসে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম
  • হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছু গণমাধ্যম মানছে না
  • সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস
  • সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস
  • গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ পাশ
  • রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সময় জানালেন মেজর হাফিজ
  • বছরে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী