বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা টহল, রাষ্ট্রদূতকে তলব

বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের গতিবিধি গত কয়েকদিনে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে এ ধরনের তৎপরতা বৃদ্ধি পাবার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ জানিয়ে রবিবার একটি চিঠি দেয়া হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গত শুক্রবার থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে বলে দেখা গেছে। সীমান্ত এলাকার অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের ”ব্যাপক সংখ্যক” উপস্থিতি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

যদিও সেটাকে সৈন্য সমাবেশ বলতে চাননি কর্মকর্তারা।

এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানোর জন্য রবিবার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডাকা হয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণ কী?

সাধারণত দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল যদি বাড়ে, এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূতকে ‘তলব’ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় সেনা টহল বেড়েছে, কিন্তু কোনো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়নি, সে কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা খবর পেয়েছেন সেনা টহল দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একেবারে কাছ ঘেঁষে হচ্ছে না।

কিন্তু তারপরেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের টহল বাড়ানোর ঘটনা দেখা যায়নি বলেই প্রাথমিকভাবে উদ্বেগ বা কনসার্ন বোধ করেছে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া যেহেতু সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সেনা টহল লক্ষ করা গেছে, কর্মকর্তারা মনে করছেন ভবিষ্যতে সেটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এজন্যই আনুষ্ঠানিকভাবে সেটা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এখানে আরো একটি বিষয় রয়েছে, মিয়ানমারের এই সেনা টহলের একটি অংশ হয়েছে সিভিলিয়ান বাহনে করে, অর্থাৎ মাছ ধরার নৌকায় করে।

আর যে তিনটি পয়েন্টে তাদের দেখা গেছে সেগুলো হল কা নিউন ছুয়া, মিন গালারগি ও গার খুইয়া আর এই জায়গাগুলো মূলত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা।

এটাকে সন্দেহজনক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

কারণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল বাড়লে পরে, হয়ত সেখানকার মুসলমানদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যার ফলে আরো কিছু লোকজন হয়ত বাংলাদেশে ঢুকে পড়তে চাইবে, তারও একটা ঝুঁকি তৈরি হয়।

ফলে এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে মিয়ানমারকে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

একই রকম সংবাদ সমূহ

এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রমিকদের আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবংবিস্তারিত পড়ুন

নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে ৬টি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস

চলতি শীত মৌসুমে দেশে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে দুইবিস্তারিত পড়ুন

একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা

৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনবিস্তারিত পড়ুন

  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি-নিরাপত্তায় আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর বৈঠক
  • ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কার্যকর, পাবেন জানুয়ারিতে
  • হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক
  • ফের ৩ দিনের রিমান্ডে তাহসিফের বান্ধবী দিশা
  • এনআইডি সংশোধনের আড়ালে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি
  • জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর
  • জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
  • ওপেক্স মডেলে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : তথ্য উপদেষ্টা
  • কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী উপায়ে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ