রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নাম-পদ বদলের প্রস্তাব নিয়ে ইসির মত বদল

ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নাম-পদবির ইংরেজি শব্দ পাল্টে বাংলা পারিভাষিক শব্দ ব্যবহারের প্রস্তাব নিয়ে মত বদলেছে নির্বাচন কমিশন।

ফলে প্রস্তাবিত ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পরিচালনা আইন-২০২০’ আইনে সিটি করপোরেশন-পৌরসভা-ইউনিয়ন পরিষদের নাম, মেয়র ও চেয়ারম্যানের নতুন বাংলা রূপ করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে না।

সোমবারের ‘মুলতবি কমিশন সভায়’ এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে ইতোমধ্যে নাম-পদবির বাংলা রূপান্তর নিয়ে একজন নির্বাচন কমিশার ‘নোট অব ডিসেন্ট’ও দিয়েছিলেন। কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার এ নিয়ে দ্বিমত পোষণ করলেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

প্রস্তাবিত আইনের প্রাথমিক খসড়ায় সিটিকে মহানগর, পৌরসভাকে নগরসভা, সিটি মেয়রকে মহানগর আধিকারিক বা মহানগরপতি, পৌর মেয়রকে পুরাধ্যক্ষ বা নগরপতি, ইউপিকে পল্লী পরিষদ এবং পল্লী, উপজেলা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রধান করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। তা এখন আর থাকছে না খসড়ায়।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয় সরকারের আইনগুলোকে একসঙ্গে সামষ্টিক রূপে নেওয়ার জন্য একটা খসড়া উপস্থাপন করেছে ইসি সচিবালয়। তাতে নাম-পদবি বাংলায় করারও প্রস্তাব ছিল।

“আমরা বলেছি, নাম পাল্টানোর এখতিয়ার ইসির নয়। স্থানীয় সরকার যদি নাম-পদবি পরিবর্তন করে, তাহলে সেটা করতে পারে। এ বিষয়টি নীতিগতভাবে আমরা একমত হয়েছি।”

খসড়াটি এখনও কমিশন পর্যালোচনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি কিছু। খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর সবার মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।

এ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বলেন, “কমিশন প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেবে সবার মত নিয়ে। এর আগেই নোট অব ডিসেন্ট কেন?
“আরও অনেক পথ বাকি। খসড়াটি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সরকার দেখবে। তারপর সংসদে যাবে। প্রস্তাব দিলেই তো হলো না; শেষ পর্যন্ত বিষয়টি চূড়ান্ত হবে সংসদে।”

সোমবারের বৈঠক সিইসি কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

তবে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার অনুপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পরিচালনা আইন-২০২০’ খসড়া নিয়ে বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, নাম ও পদবি প্রচলিত শব্দগুলোই রাখা হবে। এক্ষেত্রে বর্তমানে ব্যবহৃত নাম ও পদবিতে কোনো পরিবর্তন হবে না।

তিনি আরো বলেন, “এটি একটি প্রস্তাবনা। তার উপরেই আলোচনা হচ্ছে। পরিবর্তন, পরিবর্ধন হতে পারে।”

শিগরগিরই খসড়াটি ওয়েবসাইটে তোলার পর সবার মতামতের ভিত্তিতেই প্রস্তাব চূড়ান্ত করে সরকারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানান সচিব।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

একই রকম সংবাদ সমূহ

নীতিমালা জারি: ৮ শ্রেণির মানুষ পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড

দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’বিস্তারিত পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো : চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একবিস্তারিত পড়ুন

  • ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • নতুন দায়িত্বে হুমায়ুন কবির
  • শিক্ষার্থীদের ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করতে মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ কমিটি : শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
  • মির্জা ফখরুলের চেয়ারে সালাহউদ্দিনকে বসিয়ে কী বার্তা দিল বিএনপি?
  • স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও একক প্রার্থীর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর গুম: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ বেঁধে সীমান্ত দিয়ে শিলং, পরে পাগল ভেবে হাসপাতালে নেয়া হয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ঢাকার যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যেসব সিদ্ধান্ত
  • গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর