বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গমাতার অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অসামান্য অবদান রয়েছে। আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতে প্রেরণা জুগিয়েছেন।’

রবিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক-২০২১ প্রদান’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কানফারেন্সিংয়ে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে সবচেয়ে বড় গেরিলা আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাজনীতিতে ব্যাপকভাবে সক্রিয় থাকলেও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা গেরিলা সংগঠন বেগম মুজিবের কর্মকাণ্ড কখনো আঁচ করতেও পারেনি। একটা গেরিলাযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীন হয়েছি। আমি সবসময় বলি, আমার মা ছিলেন সবচেয়ে বড় গেরিলা। তিনি গোপনে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করতেন, দিকনির্দেশনা দিয়ে আসতেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকও হয়েছে। ৬-দফা ছেড়ে অনেক নেতা চলেও গেছেন। আমার মা তখন খুব শক্ত ছিলেন ৬-দফার পক্ষে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যে পরিবারে জন্ম নিয়েছেন, পড়াশোনা করে অনেক বড় জায়গায় যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তাকে পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন আমার মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী ছিলেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমার মায়ের অভ্যাস ছিল; বই কেনা। নিউমার্কেট থেকে তিনি বই কিনতেন। আমাদেরও নিয়ে যেতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রতিটি মেয়ের শিক্ষা নেয়া উচিত এবং আর্থিক সচ্ছলতা দরকার। খালি অধিকার অধিকার বলে চিৎকার করলেই হবে না।

তিনি বলেন, আমার মায়ের যদি নানা রকম চাহিদা থাকতো। স্বামীর কাছে মানুষের নানা ধরনের চাহিদা, আকাঙ্ক্ষা থাকে। অনেক কিছু পাওয়ার থাকে। আমার মার, বাবার কাছে কোনো কিছুর চাহিদা ছিল না। তিনি সবসময় বলতেন, তুমি দেশের কথা চিন্তা করো। আমাদের কথা ভাবতে হবে না। প্রেরণাটাই দিয়ে গেছেন। আমার মায়ের যে অবদান রয়েছে, এদেশের রাজনীতিতে, শুধু তাই না, বাংলাদেশের মানুষের অগ্রগতিতেও তার অবদান আছে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে অংশ নেন সচিব সায়েদুল ইসলাম, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেমন আরাসহ অনেকে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

একাদশে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হতে পারেবিস্তারিত পড়ুন

আ.লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিষয়টিবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো: রিজভী

ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো, এমন দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীরবিস্তারিত পড়ুন

  • এআইয়ের যুগে তরুণেরাই নতুন সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী
  • গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানী-বিপ্লব কুমারসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত
  • ‘কাকা তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন’ : ফোনালাপে পরশকে কাদের
  • জেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’: মাহদী আমিন
  • বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • ‘রাজনৈতিক জোকার’ ছিলেন ওবায়দুল কাদের: ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর
  • ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন ২৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি
  • রাষ্ট্রপতি পদে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে কী হবে জানালেন চিফ হুইপ
  • ভালো খেলোয়াড় হলেও সাকিব ‘নষ্ট ও পচে যাওয়া’ মানুষ: তথ্য উপদেষ্টা
  • দুই উপলক্ষে তারেক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: জয়সোয়াল
  • বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব পদে রিজভীসহ আলোচনায় যারা
  • চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান