সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৩

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। ২০১৯ সালের এই দিনে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টি দেশব্যাপী নানান কর্মসূচি পালন করবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রংপুরে এরশাদের সমাধি জিয়ারত করে দুপুরে ফিরে কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল ও বনানীর পৃথক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন জিএম কাদের। সকাল ১১টায় গুলশানে রওশন এরশাদ বাসভবনে মিলাদ মাহফিল ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে এরশাদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে দুপুর ১২টায় কাকরাইলে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এরশাদের প্রতিকী বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকেলে প্রেসিডেন্ট পার্কে স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সকাল ১০টায় কাকরাইলে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত এরশাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করবেন সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও মহানগর জাপার নেতারা। সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পযর্ন্ত কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাবলার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে কোরআন খতম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাপার পক্ষ থেকে বাদ আছর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শ্যামপুর-কদমতলীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মন্দিরে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পরে তার পরিবার রংপুরে চলে আসেন। রংপুরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এরশাদ। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তন করেন। ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ওই বছরই আগস্ট মাসে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদকে সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৭৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন। ১৯৯১ সালে এরশাদ গ্রেফতার হন। ১৯৯১ সালে জেলে অভ্যন্তরীণ থাকা অবস্থায় এরশাদ রংপুরের পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এরশাদ সংসদে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি জামিনে মুক্ত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি ১৪টি আসনে জয়ী হয়। ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে মহাজোট গঠন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তার দল ২৭টি আসনে বিজয়ী হয়। এরপর ১০ ও সবশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য হন। তিনি চলতি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা ছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

হিরো আলমকে অভিনন্দন জানালেন তথ্যমন্ত্রী

বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া আশরাফুল আলমবিস্তারিত পড়ুন

গ্যাস–বিদ্যুতে এত ভর্তুকি দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব না: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিস্তারিত পড়ুন

বিএনপি এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, যাতে আরেকটি ওয়ান ইলেভেন হয় : ওবায়দুল কাদের

বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবংবিস্তারিত পড়ুন

  • এই নাম নিয়ে অহেতুক আর বিতর্কে আমি যেতে চাই না: কাদের
  • জি এম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন
  • গণতান্ত্রিক ধারা বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী: প্রধানমন্ত্রী
  • তারেক-জোবাইদাকে আদালতে হাজিরে গেজেট প্রকাশ
  • দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী
  • আ.লীগ মাঠে নামলে বিএনপিকে খুঁজেই পাওয়া যাবে না : কাদের
  • গয়েশ্বর চন্দ্র রায় রাজাকার ছিলেন : মির্জা আজম
  • বিএনপি এখন গোপনে পদ্মা সেতুর ওপারে যায়: তথ্যমন্ত্রী
  • ডোনাল্ড লু’কে ত্রুটিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার কথা বলা হয়েছে : সেতুমন্ত্রী
  • সঠিক পথে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, সেই চেষ্টা করছি : প্রধানমন্ত্রী
  • আ.লীগ কচুপাতার পানি নয় যে টোকা দিলেই পড়ে যাবে : ওবায়দুল কাদের
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • error: Content is protected !!