সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ওষুধ খাতে যে পরিবর্তন এনেছেন ডা. জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সদ্য প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সবসময় চেষ্টা করেছেন দেশের ভালোর জন্য কিছু করার। চেষ্টা করেছেন নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার। তিনি পুরোটা সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছেন। নিজের ক্যারিয়ারের চেয়ে দেশপ্রেমকে প্রাধান্য দিয়েছেন সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া এই মহান মানুষটি।

এই মহান মানুষটিকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। সেই সঙ্গে গরিবের ডাক্তার হিসেবে সমাধিক পরিচিত ছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টায় ঢাকার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সেই জাফরুল্লাহ।

১৯৮২ সালে চালু হওয়া ‘জাতীয় ওষুধনীতি’ প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই ওষুধনীতি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বা বিএমএ থেকে।

তার ওষুধনীতি বাংলাদেশের ওষুধ খাতে বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং এ জন্যই আজকের বাংলাদেশে ওষুধ খাতের এত উদ্যোক্তা বলে মনে করেন অনেকে।

১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করা জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পরিবারে ১০ ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী থাকার সময়ে কলেজের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়ে আলোচনায় এসে পরে কলেজছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

ডাক্তারি পাশের পর যুক্তরাজ্যে যান জাফরুল্লাহ। সেখানে সার্জন হিসেবে সুনাম অর্জন করেন তিনি। এর পর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

একাত্তর সালেরে মে মাসে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও যুক্তরাজ্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়। তিনি তার এফআরসিপিএস ডিগ্রি অর্জন অসমাপ্ত রেখে যুক্ত হন মুক্তিযুদ্ধে।

মুজিব নগর সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেঘালয়ে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন জাফরুল্লাহ ও ডা. এমএ মবিন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ঢাকার ইস্কাটনে পুনরায় স্থাপিত হয়।

পরে ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার জন্য হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয় এবং নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিরোধী দলের এমপিদের আসনে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ, স্পিকার বললেন ৪০ বছরে কানাকড়ি পাননি

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতে মসজিদ, গোরস্থান ও ঈদগাহের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিলবিস্তারিত পড়ুন

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৫ শিক্ষার্থী ও চার শিক্ষক জাতীয় সংসদ ভবনবিস্তারিত পড়ুন

যতটুকু আমার প্রাপ্য তাও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি : সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে নিজের চিকিৎসা বাবদ সরকারিবিস্তারিত পড়ুন

  • একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • দেশে চিকিৎসা ব্যয়ের ৮০ শতাংশই রোগীর পকেট থেকে আসে: সংসদে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: সেতুমন্ত্রী
  • আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ
  • লন্ডনের আদলে শিক্ষা ও দরিদ্রবান্ধব বাজেট, এটি স্মরণকালের ইতিহাস
  • বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করলো ভারত
  • ‘অন্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন শি জিনপিং’
  • দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর
  • চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • অবশেষে আইসিসিকে দেওয়া বুলবুলের চিঠি নিয়ে মুখ খুলল বিসিবি
  • এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর