শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গোয়াল ঘরে বাস নিহত এএসআই’র পিতা-মাতার! ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার এসপি

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বাশ পেটে ঢুকে নিহত এএসআই শাহ জামালের মা-বাবাকে ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে শাহ জামালের পিতা-মাতার কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্বোধন শেষে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

পরে তিনি শাহ জামালের কবর জিয়ারত করেন।

বসতঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শাহাজামালের মা-বাবা।

এসময় পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আশাশুনি থানায় কমরত অবস্থায় শাহ জামাল সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। বিশেষ করে তার পিতা-মাতার বাসযোগ্য কোন বসত বাড়ি ছিলনা। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উদ্যোগে শাহ জামালের পিতা-মাতার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। মানবিক কারণে এ ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।’

দায়িত্বপালনকালিন সময়ে যেসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন দূর্ঘটনায় মারা গেছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান সাতক্ষীরার এই পুলিশ সুপার।

নিহতের পিতা সুলতান বিশ্বাস জানান, ‘গরুর গোয়ালে তিনিসহ তার স্ত্রী বসবাস করতেন। একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মারা যাওয়ার পরে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার এই দুর্বিসহ দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে খুবই প্রশংসনীয়।’

নিহতের মা হাওয়া বিবি জানান, ‘একদিকে ছেলেকে হারানোর বেদনা অন্যদিকে অভাবের তাড়নায় তারা দিশেহারা। এমন সময়ে মোস্তাফিজ আমার বড় সন্তানের দায়িত্ব পালন করেছে। আজ থেকে সে আমার বড় সন্তান। আমি মায়ের মত তার সফলতা কামনা করি।’

প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আশাশুনি থানার বুধহাটা বাজারে পেট্রল ডিউটি সেরে থানায় যাওয়ার পথে চাপড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রাকে রাখা বাশ পেটে ঢুকে গুরুতর আহত হন শাহ জামাল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহ জামালের গ্রামের বাড়ি শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে।

তার ৮ বছর বয়সী রাফি নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী বর্তমানে সন্তান সম্ভবা।

তাদের মাঠে কোন জমি-জমা নেই। শাহ জামালের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম কৃষি শ্রমিক। শাহ জামালের পিতা-মাতা গোয়াল ঘরের এক পাশে বসবাস করতেন।

তাদের এই দুরবস্থা দেখে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে দু’কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঘর নির্মাণ করে দেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় প্রান্তিক যুব সংঘের মাসিক সভা ও সাহিত্য আড্ডা

তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রান্তিকবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের ৩ দিনের প্রশিক্ষণের সমাপনীতে গুজব ও অপপ্রচার রুখে দেওয়ার প্রত্যয়

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত ‘মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেকবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

নিজস্ব প্রতিনিধি : করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস এবিস্তারিত পড়ুন

  • প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শীর্ষক প্রকল্পের সাতক্ষীরায় ট্রেনিং ও সনদ বিতরণ
  • সাতক্ষীরায় আন্তঃ ধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • সাতক্ষীরায় ডিসির বক্তব্য বিকৃত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ওলামা দলের মানববন্ধন
  • কলারোয়ায় নবনির্মিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন এবং পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • পিআইবি’র উদ্যোগে সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরায় জামায়াতের ইউনিয়ন তারবিয়াত টিম সদস্যদের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা
  • সাতক্ষীরার নগরঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফের ছাদ ধস, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক
  • সাতক্ষীরার লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরের গাইড ওয়াল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
  • সাতক্ষীরায় ‘ডিজাস্টার অ্যালার্ট’ অ্যাপের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা
  • সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি
  • সাতক্ষীরায় যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল