বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সিসার চালান জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

অনলাইনভিত্তিক সিসা বিক্রির একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগে যমজ দুই ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬৬ কেজি সিসা, ৪১টি হুঁকা, ৪০ কেজি কয়লা এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। ডিএনসির দাবি, দেশে এক অভিযানে জব্দ হওয়া এটিই সর্বোচ্চ পরিমাণ সিসা।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিএনসির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন যমজ ভাই আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪), এবং মো. মাকসুদ আলম (৪০)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

ডিএনসির জানিয়েছে, আহমেদ ও মেহদাদের বাবা-মা ইরানের নাগরিক। ব্যবসায়িক কারণে তারা বাংলাদেশে আসেন এবং দুই ভাইয়ের জন্ম বাংলাদেশে। ইরানে যাতায়াতের সময় তারা সিসার বাজার, সরবরাহব্যবস্থা ও ব্যবসার কৌশল সম্পর্কে ধারণা নিয়ে দেশে ফিরে অনলাইনভিত্তিক বিক্রয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। পরে দেশের বিভিন্ন জেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত করেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি জানতে পারে, দুই ভাই কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দুটি সিসার চালান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বসুন্ধরা ও মালিবাগ থেকে এক কেজি করে দুটি পার্সেল জব্দ করা হয়। পার্সেলের প্রেরকের ঠিকানা অনুসরণ করে কালাচাঁদপুরের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা এবং ২০টি হুঁকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই ভাই জানান, তাঁদের কাছে বড় পরিমাণ সিসা সরবরাহ করতেন মাকসুদ আলম। পরে ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে আরও ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুঁকা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত ৪০ কেজি কয়লা এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সিসা বিক্রি করছিল। ওই পেজে পণ্যের ছবি প্রকাশ, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্ডার গ্রহণ এবং মূল্য নির্ধারণ করা হতো। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর কুরিয়ার সার্ভিসে পণ্য পাঠানো হতো এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মূল্য গ্রহণ করা হতো।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন জানান, জব্দ করা মোবাইল ফোন ও ফেসবুক পেজ থেকে বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ক্রেতা, পরিবেশক ও নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

সকল ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্তবিস্তারিত পড়ুন

নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতারবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • মেয়র নির্বাচনের জন্য আমি শতভাগ প্রস্তুত আছি: ইশরাক
  • প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন
  • সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যর্থতার বলি হতে হবে ইশরাকদের : হাসনাত আবদুল্লাহ
  • ইশরাক ভাই ফাঁদে পড়ে গেলেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • এবার বাংলাদেশে সৌহার্দ্যপূর্ণ দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে: দিনেশ ত্রিবেদী
  • জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন
  • বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগকে মাফ করতে চেয়েছিল জামায়াত: রিজভী
  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার কারণ জানালেন ইশরাক
  • বর্জ্যের পাহাড়কে সবুজে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
  • বিএনপিই আমাদের আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েছে: জামায়াত আমির