বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মেঘ আর জোয়ার দেখলেই আঁতকে উঠে মেঘনা ও ভূলুয়া পাড়ের মানুষ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের বাসিন্দারা আকাশে মেঘ আর মেঘনার জোয়ার দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে টানা ভারি বর্ষণ ও অরক্ষিত মেঘনা নদীর জোয়ারের পানিতে হাজার হাজার পরিবার এখন দিশেহারা। তারা এখন আকাশে মেঘ দেখলেই আঁতকে উঠে।

শনিবার (২৪ আগষ্ট) সারা দিন রামগতি ও কমলনগরে ভারি বৃষ্টি পাত হয়নি। রোদ উজ্জ্বল ছিল দিনের বেশিরভাগ সময়। মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকেনি। যে কারণে মেঘনাপাড়ের বাসিন্দারা কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও তাদের আতঙ্ক কাটেনি।

এদিকে, ভূলুয়া নদীর পূর্ব পাড়ে চর কাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দারা পানিতে ডুবে আছে। আগের মত অপরিবর্তিত রয়েছে অবস্থা সেখানকার অবস্থা।

খবর নিয়ে জানা গেছে, কমলনগরে চর কাদিরা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ পানিতে তলিয়ে আছে। বাড়িতে বুক সমান পানি। বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে। সব ডুবে থাকায় রান্না করা যাচ্ছে না। খাদ্যের অভাবে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম দুঃখে-কষ্টে ও দুর্ভোগে আছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।

তবে, পানিবন্দি এসব মানুষের পাশে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি নিয়ে দাঁড়িছেন উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

এদিকে দুপুরে কমলনগরে এবং বিকালে রামগতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সমাগ্রী বিতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

উপকূলীয় এলাকার লোকজন বলছেন, তারা জোয়ার আতঙ্কে ভুগছেন। মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ না থাকায় জোয়ার এলেই লোকালয়ে পানি ঢুকে ডুবিয়ে দেয় বাড়ি-ঘর। রাতে নির্ঘুম রাত কাটে এ জনপদের লাখো মানুষের। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারি বৃষ্টির কারণে জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে শত শত ঘের ও হাজার হাজার পুকুরের মাছ। ফসলের মাঠ ডুবে, আমনের বীজতলার ধানের চারা নষ্ট হয়ে কৃষেকর সর্বনাশ হয়ে গেছে। গবাদিপশুর জন্য নেই নিরাপদ আশ্রয়, নেই খাদ্য। এমন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে মেঘনা উপকূলের বসতিরা। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীর রক্ষা বাঁধ বাস্তবায়নের দাবি করছেন।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান বলেন, মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ চলমান। নদীর তীর রক্ষায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং হয়েছে। এখন বর্ষার কারণে কাজ করা যাচ্ছে না।

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুরাইয়া জাহান বলেন, পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান

গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় দলটির জেলা যুগ্মবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়
  • দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল