মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

৩ ডিসেম্বর বেনাপোল মুক্ত দিবস

৩ ডিসেম্বর, বেনাপোল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এইদিন মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে বেনাপোল, শার্শা এলাকা ছেড়ে পিছু হটতে থাকে পাক বাহিনী এবং তাদের দোসররা। আশ্রয় নেয় শার্শার আমড়াখালী সদরে। পরের দিন আঞ্চলিক সদর দপ্তর নাভারনে আশ্রয় নেয় তারা।
এর আগে ২ ডিসেম্বর রাতে বেনাপোল বাজার থেকে আড়াই কিলোমিটার উত্তর পশ্চিম পাশে রঘুনাথপুর গ্রাম ছেড়ে পালায় পাকবাহিনী এবং তাদের দোসররা। আশ্রয় নেয় প্রায় তিন কিলোমিটার পূর্বে পোড়াবাড়ী নারানপুর মাঠপাড়ার ব্যাটালিয়ন সদরে। ৩ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে দু’পক্ষের সম্মুখযুদ্ধে ও মুহুর্মুহু কামানের গুলিতে তছনছ হয়ে যায় নারানপুরে পাক সেনাদের চৌকি। মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে আগের দিন পাকসেনারা রঘুনাথপুর ইপিআার ক্যাম্প ছেড়ে রাতের আঁধারে পালিয়ে বাঁচে।
পাকসেনাদের পিছু হটার খবর পেয়ে বেনাপোলের ওপারে ভারতের বনগাঁর জয়ন্তীপুর থেকে সোজা রঘুনাথপুরের পাশের গ্রাম মানিকিয়া গ্রামে ছুটে আসেন মিত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন মি. রায়সহ দুদেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা। তাদের নির্দেশে ৩ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে দুজন মুক্তিযোদ্ধা ৪টি গ্রেনেড নিয়ে রেকি করতে যান নারানপুর ব্যাটালিয়নের আশপাশে। ক্ষুধায় কাতর মুক্তিযোদ্ধাদের ঘরে ডেকে নিয়ে ইউসুফ নামের এক লোক পেটভরে খেতে দেন দুধ মুড়কি আর চিড়ে। খাওয়া শেষে ঘর থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে পাকবাহিনী তাদেরকে ঘিরে ফেলে। ফলে তিনি জীবন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাশের কোদলা নদীতে। মুক্তিযোদ্ধাদের লক্ষ্য করে পাকবাহিনী বৃষ্টির মতো ছুড়তে থাকে গুলি।
এ খবর চলে যায় দুই কিলোমিটার দূরে তিন প্লাটুন সৈন্য নিয়ে মানিকিয়া গ্রামে অবস্থানরত মিত্র বাহিনীর কমান্ডার মি. রায়ের নিকট। বেনাপোলের ওপারে জয়ন্তীপুরে তখন ৫নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী। তার সাহসিকতায় সেদিন শুরু হয় প্রবল প্রতিরোধ যুদ্ধ। প্রচণ্ড গোলাগুলির খবরে ভীত সন্ত্রস্থ পাক বাহিনী পুটখালি, শিকড়ী বটতলা, বেনাপোল কাস্টমস হাউজ এলাকা ছেড়ে রাতের আঁধারে পিছু হেটে আশ্রয় নেয় যশোর-বেনাপোল সড়কের আমড়াখালি কোম্পানির সদর দপ্তরে। এভাবেই শত্রুমুক্ত হয় বন্দরনগরী বেনাপোল। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে বেনাপোলে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল। মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা বেনাপোলের মানুষ।
সংঘবদ্ধ মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় দ্বিগুণ সাহস নিয়ে চলতে থাকে একের পর এক অপারেশন। ৪ ডিসেম্বর শার্শা ও নাভারন এবং ৫ ডিসেম্বর ঝিকরগাছা দখলমুক্ত হয়। এদিন পাকসেনারা ঝিকরগাছা ছেড়ে আশ্রয় নেয় খুলনার শিরোমনি ক্যাম্পে। এভাবেই ৩ ডিসেম্বর বেনাপোল এবং ৫ ডিসেম্বর ঝিকরগাছা এলাকা দখলদার পাকবাহিনীর কাছ থেকে স্বাধীন হবার গল্প শোনাচ্ছিলেন স্থানীয় দুর্গাপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা দীন মোহাম্মদ ওরফে দীনো ও বেনাপোল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ আলম।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শার্শায় চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই

যশোরের শার্শায় উপজেলার উলাশির রামপুর ধলাদাহ গ্রামে সাকিব হোসেন (১৫) নামে একবিস্তারিত পড়ুন

রাজগঞ্জ হাইস্কুলের ৭৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করাবিস্তারিত পড়ুন

বেনাপোল বন্দরে আমদানিকৃত পন্যবাহী ট্রাক থেকে হেলপারের লাশ উদ্ধার

যশোরের বেনাপোল বন্দরে ভারত থেকে আমদানিকৃত পন্যবাহী ট্রাক থেকে নারসিম হোলা (৪৩)বিস্তারিত পড়ুন

  • রাজগঞ্জ ৫০শয্যা সরকারি হাসপাতাল নির্মাণে জমিদাতা পরিবারের প্রতি শুভেচ্ছা ও দোয়া কামনায় অনুষ্ঠান
  • রাজগঞ্জের মদনপুরে ‘কলাপাতায় ভাত খেয়ে’ ঐতিহ্য ফেরানোর চেষ্টা!
  • রাজগঞ্জে এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু
  • দাম কমে যাওয়ায় রাজগঞ্জে পান চাষীরা হতাশ
  • রাজগঞ্জের চালুয়াহাটি ইউনিয়নে প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের পক্ষে কম্বল বিতরন
  • শার্শার চালিতাবাড়ীয়া গ্রামে গাছ থেকে পরে আহত ব্যক্তির মৃত্যু
  • শার্শায় আগুনে পুড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে অসহায় এক গৃহবধূ
  • মণিরামপুরের রোহিতায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের পক্ষে কম্বল বিতরণ
  • শার্শা সদর ইউনিয়নে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্বভার গ্রহণ
  • উৎসবমুখর পরিবেশে শার্শার কায়বা ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ
  • যশোরে হোস্টেলের বাথরুমে ভারতীয় ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ
  • শার্শার ১০টি ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত মেম্বাদের শপথ গ্রহণ
  • error: Content is protected !!