উত্তাপের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ-আসামে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু


পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ভোটদানের সময় একঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।
পশ্চিমবঙ্গের ২৯৫টি আসনের মধ্যে প্রথম ধাপে নির্বাচন হচ্ছে ৩০টিতে এবং আসামের ১২৬টি আসনের মধ্যে হচ্ছে ৪৭টিতে। বঙ্গের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।
ভারতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বামজোট পশ্চিমবঙ্গের ভোটে তৃতীয় অবস্থানে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আসামে তাদেরই নেতৃত্বাধীন ‘মহাজোট’ বিজেপির ক্ষমতা ধরে রাখায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।
২০১৬ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের এই ৩০টি আসনের মধ্যে ২৬টিতেই জিতেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। আর আসামের ৪৭টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল ৩৫টি।
এনডিটিভির তথ্যমতে, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত আসামে ভোটার উপস্থিতির হার ১১ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং পশ্চিমবঙ্গে ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
পশ্চিমবঙ্গের এই ৩০টি আসনের মধ্যে ২৯টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি, বাকি একটি আসনের প্রার্থিতা দেয়া হয়েছে অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নকে (এজেএসইউ)। সেখানে তৃণমূলও ২৯টি আসনে নিজেরা প্রার্থী দিয়েছে এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন জনিয়েছে।
রাজ্যটিতে কংগ্রেস লড়ছে মাত্র পাঁচটি আসনে। তাদের বামপন্থী মিত্ররাই মূলত প্রার্থী দিয়েছে বেশিরভাগ আসনে। এর মধ্যে সিপিএম লড়ছে ১৮টিতে এবং সিপিআই চারটিতে।
শনিবার সকালে বাংলাদেশে বসেই আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের বার্তা দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটে তিনি বলেছেন, আমি সকল যোগ্য ভোটারকে, বিশেষ করে আমার তরুণ বন্ধুদের আহ্বান জানাই, আপনারা রেকর্ড সংখ্যায় উপস্থিত থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন।
সূত্র: এনডিটিভি

কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
