বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

খুলনার কয়রায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি খাদ্যপণ্য তৈরি, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

খুলনার কয়রায় বেশ জনপ্রিয় বেকারির তৈরি খাবার। প্রায় প্রতিটি দোকানে পাওয়া যায় কেক, হরেকরকমের বিস্কুট, চানাচুর, পাউরুটি, বাটারবন, মিষ্টি, সন্দেশ ইত্যাদি। এসব পণ্য জনপ্রিয় হলেও এর মান নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, কয়রার সব বেকারির কারখানায় এসব খাবার তৈরি হয় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই এগুলো বাজারজাত করা হয়।

সরেজমিন বেকারির কারখানাগুলোতে দেখা গেছে, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ। প্রতিটি কারখানার ভেতরে স্যাঁতসেঁতে।

নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিস্কুট, চানাচুর, পাউরুটি, বাটারবন, মিষ্টি, সন্দেশসহ বিভিন্ন বেকারির পণ্য।কারখানার ভেতরে যেখানে তৈরি করা খাবার রাখা আছে, সেখানেই ময়দা ও আটার গোডাউন। পাশে রাখা আছে জ্বালানির কাঠও। সঙ্গে রয়েছে মানবদেহের ক্ষতিকারক কেমিক্যাল এবং পামওয়েল তেলের ড্রাম। এর পাশেই ছড়ানো ছিটানো আছে নানা প্রকার তৈরি সব খাদ্যপণ্য। এসব খাদ্যদ্রব্য তৈরির জন্য আটা-ময়দা প্রক্রিয়াজাত করানো কড়াইগুলোও নোংরা। যেসব কর্মচারী এসব পণ্য তৈরি করছেন, তাঁদের শরীর থেকে ঝরছে ঘাম।

উপজেলার ঘুগরাকাটি বাজারে ইমরান ফুড নামের এক বেকারির বিরুদ্ধে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই বেকারির খাবার খেয়ে অনেক মানুষ আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিভিন্ন খাদ্যের সঙ্গে কীটপতঙ্গ থাকতে দেখা গেছে। আইন না মেনে শিশুদের দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন বেকারির খাবার। কোনো খাদ্যের প্যাকেটে মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ ও বিএসটিআই অনুমোদিত স্টিকার নেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেকারি মালিক মো: মনিরুল বলেন, আমরা চেষ্টা করি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে খাবার বানাতে। আমরা দিনের খাবার দিনেই বিক্রি করে ফেলি। বিএসটিআই সহ সকল বৈধ কাগজপত্র আমার রয়েছে।

স্থানীয় চা দোকাদার সালাম বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। ছোট দোকানে চা-পান বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চালাই। বেকারির তৈরি এসব খাবার উৎপাদনের তারিখ দেখার সময় নাই। আর ক্রেতারা তো আর এসব জিজ্ঞেস করে না।

স্থানীয় একাধিক সচেতন ব্যক্তি বলেন, কয়রার বিভিন্ন বাজারে বেকারির পণ্য ছাড়াও ভাতের হোটেল, মিষ্টি তৈরির কারখানা গুলোতেও অস্বাস্থ্যকর এবং নোংরা পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিব বলেন, ভেজাল খাবার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারপরও কোথাও অনিয়ম হলে অভিযান পরিচালনা করা হবে দ্রুত।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মমিনুর রহমান জানান, মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়। খাদ্য নীতিমালা অমান্য করলে তাঁদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘এই রান্না আপনার স্ত্রী করলে খাবেন?’

খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে (সদর হাসপাতাল) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদারবিস্তারিত পড়ুন

খুমেক হাসপাতালে ভ*য়াবহ আ*গুন

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসেরবিস্তারিত পড়ুন

খুলনায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সভা

খুলনায় জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধবিস্তারিত পড়ুন

  • খুলনায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করনে বিভাগীয় এনজিও ওয়ার্কশপ
  • খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটার
  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের
  • তালায় খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
  • খুলনা প্রেসক্লাবে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের
  • খুলনার দাকোপ উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
  • খুলনায় প্রাথমিক বৃত্তি ও ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
  • খুলনার দৌলতপুরে ট্রাকে মিললো ২২.৫ কেজি গাঁজা, বিদেশি মদসহ আটক ২
  • তেল উত্তোলন বন্ধ: খুলনায় জ্বালানি সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা
  • কয়রা-পাইকগাছাবাসীকে পহেলা ফাল্গুনে সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা: এমপি আবুল কালাম আজাদ
  • একটি দল মা-বোনদের ঘরে বন্দি রাখতে চায় : তারেক রহমান
  • আইডি হ্যাকের মিথ্যা কথা বলে ধর্মকে ব্যবহার করে একটি দল : তারেক রহমান