মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গাজায় গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েলকে বার্তা দিল জাতিসংঘ

গাজায় ‘গণহত্যা’ ঠেকাতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ‘জাতিগত নিধন’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৮ মে) জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম তদন্ত করেছে জাতিসংঘ। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধ ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

জাতিসংঘ ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্সসহ একাধিক তদন্তে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ গণহত্যার শামিল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী জিম্মিদের ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ছাড়া তারা কিছু হামলায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছিল। তবুও বহু হত্যাকাণ্ড ছিল অবৈধ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৪০ জনকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত কিছুটা থামে। এরপরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং গত সাত মাসে আরও শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংঘাত পর্যবেক্ষকরা বলছেন, গত মাসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি নাগরিক ও সামরিক বাহিনীর সহিংস অভিযানও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বড় অংশ সংযুক্ত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের জীবনব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ইসরায়েলের ‘সমন্বিত ও দ্রুততর প্রচেষ্টা’ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইসরায়েলের প্রতি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলকে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে হবে, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দিতে হবে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বন্ধ করতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের প্রধান অজিত সুনঘাই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুদ্ধবিরতির পরও কোনো অর্থবহ জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি। মূল সমস্যা তথা দীর্ঘস্থায়ী দখলদারিত্বেরও কোনো মৌলিক সমাধান হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রবাসী কার্ড চালু হচ্ছে চলতি মাসেই, মিলবে যেসব সুবিধা

দেশে ও বিদেশে নানামুখী ভোগান্তিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য চলতি মাসেই চালুবিস্তারিত পড়ুন

সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, খেলা কখন

অবশেষে শেষ হলো কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। তবে অঘটন দেখেনি ২০২৬ বিশ্বকাপ! ফিফাবিস্তারিত পড়ুন

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। রুদ্ধশ্বাসবিস্তারিত পড়ুন

  • ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী প্রেরণের পরিকল্পনা সরকারের
  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে জোর
  • জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান
  • ইরানের নাজাফে খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল
  • বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
  • খামেনির শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে খাবার বিতরণ করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • খামেনির জানাজায় হাজির নিহত আহমাদিনেজাদ!
  • ‘ফিলিস্তিনিদের জন্য অনুভব না থাকলে সে মানুষ নয়’
  • সৌদির প্রতিনিধিদের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শোনাল ইরান
  • চূড়ান্ত হলো শেষ ষোলোর লাইনআপ, দেখে নিন কবে কখন কোথায় ম্যাচ
  • আর্জেন্টিনাকে কাঁপিয়ে হারল কেপ ভার্দে
  • খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় যোগ দিচ্ছেন যেসব বিশ্বনেতা