বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলা: আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ তিনজনের যাবজ্জীবন

নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনসহ ছয়জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও আদনান সিদ্দিকী।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও একমাসের কারাভোগ করতে হবে।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

রায় ঘোষণার আগে ইমনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি আশিষ রায় জামিনে থেকে হাজিরা দেন। অন্য আসামিরা পলাতক ছিলেন।

এর আগে ২৯ এপ্রিল ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার (৯ মে) ধার্য করেন।

১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরওবিস্তারিত পড়ুন

বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় গঠিত স্টার্টআপ তহবিল থেকে প্রতি বছরবিস্তারিত পড়ুন

‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

  • জেলা পর্যায়েও সাইবার ইউনিট গঠন করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী
  • জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন এহসান মাহমুদ
  • দিল্লির হাইকমিশনারের অনুমোদন: আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন শামা ওবায়েদ
  • তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • একনেকে ৩ মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু: ডিএমপি কমিশনার
  • শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ
  • শিক্ষা, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র অসম্ভব: রুহুল কবির রিজভী
  • ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত
  • নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…