বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ফুলেল শুভেচ্ছায় বিদায় খুবি উপাচার্যের

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান ১০ বছর দুই মাস একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে শত শত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারির উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশে তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

এর আগে সকাল থেকেই তিনি শেষ কর্মদিবসে নানা অনুষ্ঠান, সভায় যোগদান ও উদ্বোধন প্রক্রিয়ায় ব্যস্ততম সময় অতিবাহিত করেন।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ দিনটি আমার জীবনে স্মরণীয় একটি দিন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন এ ধারা অব্যাহত থাকে এবং দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে চলতে পারলে এ বিশ্ববিদ্যালয় সম্ভাবনার পথে, সাফল্যের পথে বহুদূর এগিয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে সকাল ৯টায় তিনি নগরীর বয়রাস্থ খুবির চারুকলা ইনস্টিটিউটের জায়গায় ১১ তলা বিশিষ্ট শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী আবাসিক ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন।

এরপর বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান ও বিভাগীয় প্রধানদের সাথে একাডেমিক বিষয় নিয়ে শেষবারের মতো মতবিনিময় করেন। পরে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ‘শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। পরে তিনি কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে জিনোম ল্যাব উদ্বোধন করেন।

শেষ কর্মদিবসে এ সকল কর্মসূচিতে উপাচার্য বলেন, আমি আপনাদের আপনজন হয়ে থাকতে চাই। আমি যেন দূর থেকেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও উজ্জ্বল ভাবমূর্তি দেখতে পাই।

বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান ও বিভাগীয় প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভায় এবং স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনকালে তার কর্মমেয়াদের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে বক্তৃতা করেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, সমাজবিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর মোছা. তাছলিমা খাতুন, শিক্ষা স্কুলের ডিন প্রফেসর এ কে ফজলুল হক, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর এস এম জাহিদুর রহমান, জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, অ্যাগ্রোটেকনোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. সারওয়ার জাহান, স্থাপত্য বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. খন্দকার মাহফুজ উদ দারাইন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. আনিসুর রহমান, এফএমআরটি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রউফ, গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. সর্দার ফিরোজ আহমেদ, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. নাসিফ আহসান, রসায়ন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. রেজাউল হক, প্রিন্টমেকিং বিভাগের প্রধান ড. নিহার রঞ্জন সিংহ, ইতিহাস ও সত্যতা বিভাগের প্রধান ড. মো. দুলাল হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ছড়ানো তথ্য সঠিক নয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমালোচনা শিক্ষামন্ত্রীর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে—এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ারবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় জেলা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বর্ষাকালীন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব

বর্ষাকালীন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ICT কোচিং সেন্টার সোমবার (১০বিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল

প্রকাশিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরা জেলার চারটিবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল
  • নতুন শর্ত দেখিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না : হাইকোর্টের রায়
  • শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫
  • এসএসসিতে পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
  • মাউশিতে আসছে নতুন ডিজি, ১০ আগস্টের পর ‘রদবদল’
  • লাল টেলিফোনে সংরক্ষিত শেখ হাসিনার ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস
  • জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল : সংস্কৃতিমন্ত্রী
  • জবি ঢাকা কলেজের পর আলিয়া মাদ্রাসাতেও সংঘর্ষে জড়াল ছাত্রদল-শিবির
  • ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ