বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভারতে পাসপোর্ট ছাড়া বাংলাদেশিদের থাকার নতুন নিয়ম

বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়ন এড়াতে ভারতে যাওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা পাসপোর্ট বা অন্য কোনো ভ্রমণ নথি ছাড়াই সেখানে থাকতে পারবেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করা ব্যক্তিরাও এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া ভারতের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট-২০২৫ এর আওতায় ওই সংখ্যালঘুরা কোনো ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হবেন না বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের পাশাপাশি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে ধর্মীয় নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের যে সদস্যরা পাসপোর্ট কিংবা অন্যান্য ভ্রমণ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন, তারা সেখানে অবস্থানের অনুমতি পাবেন। এমনকি যাদের নথির মেয়াদ দেশটিতে প্রবেশের পর শেষ হয়ে গেছে, সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধেও কোনো ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না।

সোমবার ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স (এক্সেম্পশন) আদেশ ২০২৫ অনুযায়ী, নেপাল ও ভুটানের নাগরিকদের পাশাপাশি তিব্বতিরা, যারা ১৯৫৯ থেকে ২০০৩ সালের ৩০ মের মধ্যে কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃক জারি করা বিশেষ প্রবেশ অনুমতিপত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট বিদেশি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে নিবন্ধন করেছিলেন, তাদেরও একই ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে।

তবে নেপাল ও ভুটানের নাগরিকরা যদি চীন, ম্যাকাও, হংকং বা পাকিস্তান হয়ে ভারতে প্রবেশ কিংবা প্রস্থান করেন, তাহলে তারা আইনের ২১ নম্বর ধারার সুবিধা পাবেন না। এই ধারা অনুযায়ী, বৈধ পাসপোর্ট অথবা ভিসা ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ লাখ রুপি জরিমানা হতে পারে। ২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভারতে থেকে গেলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৩ লাখ রুপি জরিমানা হতে পারে।

আদেশে বলা হয়েছে, কোনো দেশের তিন বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনের জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভারতে আসা-যাওয়া করলেও তাদের কোনো শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে না। এছাড়া বিদেশি কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসার প্রয়োজন নেই।

এই আদেশের পর ২০১৪ সালের পর ভারতে প্রবেশ করা অনেক মানুষ স্বস্তি পাবেন, যাদের এতদিন বৈধ পরিচয় নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

এর আগে নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন বা সিএএ অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুরা যারা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হয়েছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

এক সপ্তাহেও কাটেনি সংকট, কলকাতায় হোটেল না পেয়ে দিশাহারা বাংলাদেশিরা

এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কলকাতায় চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশিদের হোটেলবিস্তারিত পড়ুন

ভারত ধর্মশালা নয়, নাগরিকরাই থাকবেন: অনুপ্রবেশ নিয়ে অমিত শাহ

ভারত কোনো ধর্মশালা নয়, দেশের মাটিতে বসবাস এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারবিস্তারিত পড়ুন

হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত অস্থিরতা, অচলায়তন ভাঙবে কীভাবে?

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরকে কেন্দ্র করে যখন দুদেশের মধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পথে চাকরিপ্রার্থীরা, জলকামান চালাল পুলিশ
  • দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সীমান্ত হাট পুনরায় চালুসহ বহু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • কলকাতায় হোটেল ছাড়তে হচ্ছে বাংলাদেশিদের, থাকার খরচ বেড়ে তিনগুণ
  • ভারতজুড়ে ফের বিক্ষোভে নামার হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির
  • তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক?
  • বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা চুক্তি নবায়ন, বিহারের আপত্তি নিয়ে যা বলল দিল্লি
  • ভারতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলদেশি, হোটেল মালিক গ্রেপ্তার
  • কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: দেশে ফিরলো ৬ বাংলাদেশির মরদেহ
  • রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের রাষ্ট্রপতি
  • প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত
  • গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রযুক্তিগত পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে: জয়সওয়াল