শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রাফা’র নিয়ন্ত্রণে নিতে ইসরায়েল-হামাস তুমুল লড়াই

গত অক্টোবরে গাজা থেকে চালানো রক্তক্ষয়ী হামলায় হতবিহ্বল ইসরায়েল প্রতিশোধ নিতে আট মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে আসছে। আকাশপথের পাশাপাশি স্থলপথেও আক্রমণ চালাচ্ছে দখলদার দেশটি।

গাজাকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করার পর কয়েকদিন ধরে উত্তর গাজার জাবালিয়া এবং দক্ষিণ রাফার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টায় ইসরায়েল। এ নিয়ে গাজার শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধে হামাস এবং ইসরায়েলের সেনাবাহিনী উভয় পক্ষই তাদের শত্রুদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে। খবর আল জাজিরার।

হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা জাবালিয়া ও রাফায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে তুমুল লড়াই করেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও হামাস দুই পক্ষই জানিয়েছে, গত সপ্তাহের শেষ দিকে গাজার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের সরাসরি যুদ্ধ হয়েছে।

রাফার বাসিন্দারা বলেন, গত কয়েকদিন রাফার পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে গাজার হামাস যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক লড়াই চলছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় টানা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। হামলার পাশাপাশি তেল আবিব গাজা উপত্যকায় অবরোধ আরোপ করেছে, ভূখণ্ডের জনসংখ্যা, বিশেষ করে উত্তর গাজার বাসিন্দাদের অনাহারের দ্বারপ্রান্তে ফেলেছে।

ইসরায়েলি যুদ্ধের আট মাসে গাজার বিস্তীর্ণ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের ফলে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ বাসিন্দাই অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছেন।

আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো হামলায় মারা যাওয়া ফিলিস্তিনের সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর গাজার বাসিন্দারা রাফাহ অঞ্চলে আশ্রয় নিলেও সেখানে হামাসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি আছে দাবি করে অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েল। ইতোমধ্যে রাফায় আশ্রয় নেওয়া সাড়ে ৪ লাখ ফিলিস্তিনি সেখান থেকে সরে গেছেন।

শুধু রাফাতেই নয়, উত্তর গাজার জাবালিয়াতেও দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই হচ্ছে। এর ফলে জাবালিয়া থেকেও দলে দলে ফিলিস্তিনি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পথে পথে ঘুরছে। কেউ হাঁটছে নিরুদ্দেশ আর কারও কারও কপালে জুটেছে ঠেলাগাড়ি।

নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে সন্তানদের নিয়ে পথে পথে ঘুরতে থাকা আরেক নারী জানান, আমাদের পরিস্থিতি এতোই খারাপ যা বলে বোঝানো সম্ভব না। যাওয়ার থাকার কোন জায়গাই নেই বেশিরভাগ গাজাবাসীর।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?

৪০ বছর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বসতেবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.বিস্তারিত পড়ুন

  • ড. খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
  • মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিকমাধ্যম
  • বিশ্বকাপের ৪৮ দেশের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা
  • রাশিয়ায় কাজে পাঠানোর নামে প্রতারণা, ৩ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল
  • মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর
  • অবশেষে কানাডার সদস্যপদ স্থগিত করল আইসিসি
  • ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো: ইনজেকশনে সম্পূর্ণ টিউমার নির্মূল সম্ভব
  • ২ কর্মদিবসে মিলবে মার্কিন অভিবাসী ভিসা
  • ইরানে আমাদের হামলা করা উচিত হয়নি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনবে ভারত: রুবিও
  • ভারত যা চাইবে তাই পাবে, আমি মোদির অনেক বড় ‘ভক্ত’: ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা