বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শার্শার কায়বায় ঠেঙামারী ও গোমর বিলের পানি নিষ্কাশনের আশ্বাস

শার্শা যশোর প্রতিনিধি: শার্শার দক্ষিণ অঞ্চলের মাখলা, ঠেঙামারি ও গোমর বিলে জলাবদ্ধতায় জমে থাকা পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্কাশনের আশ্বাস দিলেন শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন।

কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুসের অক্লান্ত পরিশ্রমে সোমবার ৯ ডিসেম্বর দুপুর ১ টার দিকে রুদ্রপুর ও দাউদখালী ইছামতি নদীর খালের মুখে পরিদর্শন করে তিনি কৃষকদের এ আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন, শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের উপ’সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। ৭ নং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুস, শার্শা থানা বিএনপির সদস্য শহিদুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক মনিরুল ইসলামসহ এলাকার প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষকেরা। এ সময় উপস্থিত কৃষকদের একটাই দাবি দ্রুত পানি নিষ্কাশন হোক।

পরে সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস কৃষক ভাইদের কষ্ট বুঝতে পেরে কৃষকরা যতে সঠিক সময়ে ইরিধান চাষ করতে পারে এজন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য: চলতি বছরে ভারি বর্ষনে ঐ এলাকার ছোট বড় ও মাঝারি সব বিল তলিয়ে রয়েছে আষাঢ় মাসের শুরু থেকে। ১৯৭০ সালের পর থেকে ইছামতী নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। আর সেই ৫৪ বছর আগে থেকেই কপাল পুড়েছে এ অঞ্চলের চাষীদের। বিলের পানি আগের মত আর নিষ্কাশিত হতে পারে না। উপরন্ত ইছামতী নদীর উজানের পানি উপজেলার রুদ্রপুর- দাউদখালী খাল দিয়ে মাখলা ও সোনামুখি বিলে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। এক বছরের মধ্যে ৬ মাস বিলের জমি পানিতে তলিয়ে থাকে। এর সমাধানের জন্য ৮০ র দশকে রুদ্রপুর- দাউদখালী খালের ওপর ৩ ব্যান্ডের সুইচগেট নির্মান করা হয়। কিন্তু উজানের পানি রোধ করা যায়নি। এরপর ৯০ দশকে ২০ গজ দুরত্বে আরো একটি ৫ ব্যান্ডের সুইচগেট নির্মান করা হয়। এতে নির্মান কাজে ত্রুটি থাকায় আগের মতই উজানের পানি প্রবেশ করে মাঠ ঘাট তলিয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে দাউদখালী খালের প্রবেশ মুখে বাধ দিয়ে মেশিনের সাহায্যে পানি সেচে ঠেঙামারী বিলে ধান রোপনের ব্যাবস্থা করেন উপজেলা প্রশাসন। এবছর পানির চাপ অনেক বেশি থাকায় ও অনেক ব্যায়বহুল হওয়ায় সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। ঠেঙামারী বিলে এখনো ৬ থেকে ৮ ফুট পানি রয়েছে। যে কারনে মৌসুমে ধানচাষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মাখলা বিলে ৪০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একর ও গোমর বিলে ২০০ একর জমিতে ইরিধানের চাষ করা হয়। বিলে জলাবদ্ধতার কারনে চলতি মৌসুমে মাখলা বিলে ২০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ২৫০ একর ও গোমর বিলে ১০০ একর জমি পতিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ট্রাভেল পরমিটে দেশে ফিরে অবহেলার শিকার ১৪ বাংলাদেশী

ভারতে বিভিন্ন সময়ে আটক হওয়া ১৪ বাংলাদেশী নারী-পুরুষ ও কিশোর বিশেষ ট্রাভেলবিস্তারিত পড়ুন

শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক

যশোরের শার্শায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলী রেজা রাজুবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন,ভারতের ১৪০ কোটি জনসংখ্যা আর বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন

  • আমরা মিলেমিশে কাজ করব : ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
  • শার্শায় বিএনপি নেতার নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
  • ভারত ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফ ‘খুনি বাহিনী’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • এবার বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা
  • যশোরের শার্শায় ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
  • যশোরের ঝিকরগাছায় বাঁশঝাড়ে মিলল যুবকের র*ক্তা*ক্ত ম*রদে*হ
  • শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
  • ভারত থেকে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি করলো বাংলাদেশ
  • শার্শায় জমি বিরোধের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ, অভিযুক্ত আটক
  • প্রাইভেট কারের ‘হেড রেস্ট’-এ মিলল ২৬ স্বর্ণের বার, বিজিবির জালে ৩ পাচারকারী
  • ক্রেন সংকটে থমকে বেনাপোল বন্দর: ব্যাহত আমদানি বাণিজ্য, ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা
  • শার্শায় নির্যাতিতদের অভিযোগ নিতে এমপি’র ডিজিটাল উদ্যোগ