রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শার্শার কায়বায় ঠেঙামারী ও গোমর বিলের পানি নিষ্কাশনের আশ্বাস

শার্শা যশোর প্রতিনিধি: শার্শার দক্ষিণ অঞ্চলের মাখলা, ঠেঙামারি ও গোমর বিলে জলাবদ্ধতায় জমে থাকা পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্কাশনের আশ্বাস দিলেন শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন।

কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুসের অক্লান্ত পরিশ্রমে সোমবার ৯ ডিসেম্বর দুপুর ১ টার দিকে রুদ্রপুর ও দাউদখালী ইছামতি নদীর খালের মুখে পরিদর্শন করে তিনি কৃষকদের এ আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন, শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের উপ’সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। ৭ নং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুস, শার্শা থানা বিএনপির সদস্য শহিদুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক মনিরুল ইসলামসহ এলাকার প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষকেরা। এ সময় উপস্থিত কৃষকদের একটাই দাবি দ্রুত পানি নিষ্কাশন হোক।

পরে সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস কৃষক ভাইদের কষ্ট বুঝতে পেরে কৃষকরা যতে সঠিক সময়ে ইরিধান চাষ করতে পারে এজন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য: চলতি বছরে ভারি বর্ষনে ঐ এলাকার ছোট বড় ও মাঝারি সব বিল তলিয়ে রয়েছে আষাঢ় মাসের শুরু থেকে। ১৯৭০ সালের পর থেকে ইছামতী নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। আর সেই ৫৪ বছর আগে থেকেই কপাল পুড়েছে এ অঞ্চলের চাষীদের। বিলের পানি আগের মত আর নিষ্কাশিত হতে পারে না। উপরন্ত ইছামতী নদীর উজানের পানি উপজেলার রুদ্রপুর- দাউদখালী খাল দিয়ে মাখলা ও সোনামুখি বিলে প্রবেশ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। এক বছরের মধ্যে ৬ মাস বিলের জমি পানিতে তলিয়ে থাকে। এর সমাধানের জন্য ৮০ র দশকে রুদ্রপুর- দাউদখালী খালের ওপর ৩ ব্যান্ডের সুইচগেট নির্মান করা হয়। কিন্তু উজানের পানি রোধ করা যায়নি। এরপর ৯০ দশকে ২০ গজ দুরত্বে আরো একটি ৫ ব্যান্ডের সুইচগেট নির্মান করা হয়। এতে নির্মান কাজে ত্রুটি থাকায় আগের মতই উজানের পানি প্রবেশ করে মাঠ ঘাট তলিয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে দাউদখালী খালের প্রবেশ মুখে বাধ দিয়ে মেশিনের সাহায্যে পানি সেচে ঠেঙামারী বিলে ধান রোপনের ব্যাবস্থা করেন উপজেলা প্রশাসন। এবছর পানির চাপ অনেক বেশি থাকায় ও অনেক ব্যায়বহুল হওয়ায় সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। ঠেঙামারী বিলে এখনো ৬ থেকে ৮ ফুট পানি রয়েছে। যে কারনে মৌসুমে ধানচাষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মাখলা বিলে ৪০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ৫০০ একর ও গোমর বিলে ২০০ একর জমিতে ইরিধানের চাষ করা হয়। বিলে জলাবদ্ধতার কারনে চলতি মৌসুমে মাখলা বিলে ২০০ একর, ঠেঙামারী বিলে ২৫০ একর ও গোমর বিলে ১০০ একর জমি পতিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ

যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী পাড়ের কায়বা গ্রামের আমজাদ হোসেনকে ঘিরে মাদক কারবারেরবিস্তারিত পড়ুন

শার্শা সীমান্তে ৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ, আটক ১

যশোরের শার্শা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে ২৬টি স্বর্ণের বারসহ রিপন হোসেনবিস্তারিত পড়ুন

শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বানে যশোরের শার্শাবিস্তারিত পড়ুন

  • পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শার্শায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল
  • শার্শায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বিএইচই ইউনি
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা বেনাপোলে, বেড়েছে পণ্য পরিবহনের খরচ
  • বাংলাদেশের ইলিশের দেশে ভারতীয় ইলিশ কেন, হঠাৎ বন্ধ আমদানি
  • বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম
  • প্রবাসীর স্ত্রীকে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ
  • প্রতারণা মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, ফের আদালতে মামলা দায়ের
  • শার্শার বাগআঁচড়ায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী সফল করতে আলোচনা সভা
  • সৌদিতে চাকরি না পেয়ে দেশে ফেরা, টাকা চাইতে গিয়ে ৩ জনকে মারধরের অভিযোগ
  • বেনাপোল স্থলবন্দরে ফর্রলিফট দুর্ঘটনায় শ্রমিক আহত
  • কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: দেশে ফিরলো ৬ বাংলাদেশির মরদেহ
  • শার্শার কায়বায় ইয়াবাসহ যুবক আটক