বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক আর নেই

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

রোববার (৪ মে) তার জুনিয়র আইনজীবী শিশির জানান, বিকাল চারটা ১০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

এক সময়ের আলোচিত সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক গত ২১ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন আবারও। ৬ জানুয়ারি তার জুনিয়র আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে তাকে সংবর্ধনাও দেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। তখন দলটির আমির শফিকুর রহমান এক বার্তায় বলেছিলেন, তার পদত্যাগে আমরা ব্যথিত ও মর্মাহত। পদত্যাগ করা যে কোনো সদস্যের স্বীকৃত অধিকার। আমরা দোয়া করি তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আমরা আশা করি তার সঙ্গে আমাদের মহব্বতের সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

এরপর তিনি নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে বিমানবন্দরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি একজন আইনজীবী। আমি কোর্ট রুম ব্যারিস্টার। আমি আইনের অঙ্গনে আমার অবদান রাখার চেষ্টা করব। আইনের শাসন একটি অতি বড় জিনিস। দেশে যদি আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের রাজনীতি সফল হবে, অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। সুতরাং আইন অঙ্গনে আমার বিচরণ, আইন অঙ্গনে আমি থাকব।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সা‌লে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের দুই ছেলে ও এক মে‌য়ে রয়েছেন। দুই ছেলেও ব্যারিস্টার এবং সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান