কলারোয়ায় সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী শেখ আমজাদ হোসেন


এলাকাবাসীর জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন শেখ আমজাদ হোসেন। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। নেতা নয়, সেবক হয়ে মানুষের পাশে থাকতে চান আজীবন। আসন্ন কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে শেখ আমজাদ হোসেন মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে উন্নয়নের অঙ্গিকার নিয়ে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
জন্ম বেড়ে ওঠা সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া পৌরসভার তুলসীডাঙ্গায়। ৮০’র দশকে ছাত্র জীবনেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন শেখ আমজাদ হোসেন। কলারোয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে ১৯৮৫ সালে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে। সেই সময়কার প্রতিকূল পরিবেশে ছাত্রলীগের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে ধরেছেন। কলেজ শাখার পর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েও সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট থেকেছেন।
শেখ আমজাদ হোসেন ছাত্র রাজনীতি শেষে হাল ধরেন উপজেলা যুব লীগের। দীর্ঘদিন কলারোয়া উপজেলা যুব লীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বারস এ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তিনি।
আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সদর দপ্তর কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী নির্বাচিত হয়েছেন। মানব সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় তাকে শ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মীর স্বীকৃতিস্বরুপ সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য মানবাতাবাদী আমজাদ হোসেন সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন এলাকার বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। কলারোয়া গার্লস পাইলট হাইস্কুলের বর্তমান সভাপতি এবং আজীবন দাতা সদস্যও তিনি। এছাড়া কলারোয়া পৌরসভা সদরের গোপিনাথপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কলারোয়া ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তিগতভাবে জমি দান করেছেন আমজাদ হোসেন।
ব্যক্তিগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী শেখ আমজাদ হোসেন এই বৈশ্বিক মহামারীকালেও সার্বক্ষনিক আছেন মানুষের সেবায় নিয়োজিত। করোনা সংক্রামণ থেকে রক্ষা করতে সুরক্ষা সামগ্রী প্রায় চার হাজার দুই’শ প্যাকেট মাস্ক, সাবান, হ্যান্ডওয়াশ বিলি করেছেন এলাকাবাসীর নিকট। এছাড়া তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রায় তিন লাখ টাকার চাল,ডাল, আলু, আটাসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জরুরী জিনিসপত্র সাধারন ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্মের এই সৈনিক কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, শ্বশান ও কবরস্থানসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে জনসেবা করে যাচ্ছেন। মৃত শেখ আব্দুর রশিদ ও ছায়রা খাতুনের সন্তান আওয়ামীলীগ নেতা শেখ আমজাদ হোসেনের একমাত্র পুত্র শেখ ইমতিয়াজ হোসেন নাফিজ কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ করছেন আর একমাত্র মেয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন।
এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সদা তৎপর এই জনদরদী নেতা এলাকার জরুরী প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সবসময় উচ্চকণ্ঠ। তিনি জানালেন এই মুহুর্তে সুস্থ নাগরিক জীবন যাপনের জন্য কলারোয়া পৌরবাসীর জন্য বেশ কয়েকটি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা খুব জরুরী। সেগুলে হচ্ছে প্রতিটি ঘরে সাপ্লাই পানি, যাওয়া-আসার রাস্তা, রাস্তায় বাতি, নির্দিষ্ট দূরত্বে ডাস্টবিন স্থাপন, পৌরসভা শহরের বাইরে দিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণ, ভূমিহীন, হতদরিদ্র মানুষের জন্য শিল্প-কারখানা গড়া ইত্যাদি। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী তার উন্নয়ন কর্মকান্ডকে সঠিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শেখ আমজাদ হোসেন।

কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
