শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গৌড়মতি আমে নতুন সম্ভাবনা, মণ ১২ হাজার

দেশের বেশির ভাগ জাতের আমের জোগান যখন শেষ হয়, ঠিক তখনই পাকতে শুরু করে গৌড়মতি। আমটি যেমন রসালো, তেমনি সুস্বাদু। এই নাবি জাতের আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবু আলী নামে এক চাষি। গৌড়মতি আম আট থেকে ১২ হাজার টাকা মণ বিক্রি করছেন তিনি।

কৃষি বিভাগ বলছে, গৌড়মতি আমে অর্থনৈতিকভাবেও দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। কারণ মৌসুম শেষে বাজারে আসায় দামও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার আমনুরা রোডের জামতলাবাজার এলাকার বাবু আলীর আমিরা এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, ২০ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে গৌড়মতি আমের বাগান করেছেন তিনি। বাগানে প্রায় দুই হাজার আমের গাছ রয়েছে। গত ১০ দিন থেকে এই আম দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করছেন তিনি। এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। আশা করছেন, আরও ১৫ লাখ টাকার আম বিক্রি করবেন।
আমিরা এগ্রো ফার্মের মালিক বাবু আলী বলেন, পাঁচ বছর আগে ৩২ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলেছি। এর পরে তিন বছর আগে ২০ বিঘা জমিতে দুই হাজার গৌড়মতি আমের গাছ লাগিয়েছিলাম। গতবছর থেকেই এ গৌড়মতির গাছে আম আসতে শুরু করেছে। গত বছর প্রায় আট লাখ টাকার আম বিক্রিও করেছি। তবে এবার আশা করছি, ২০ লাখ টাকার বেশি আম বিক্রি করতে পারব। যতদিন যাবে গাছ আরও বড় হবে। আমের ফলনও বাড়বে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই আম এ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করছি। বর্তমানে গৌড়মতি আম ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাহিদ নামে এক কলেজছাত্র বলেন, কিছুদিন আগে শুনেছি এই বাগানে গৌড়মতি আম পাওয়া যায়। তাই আজকে এক হাজার টাকায় পাঁচ কেজি আম কিনলাম। এই আম খুবই সুস্বাদু।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) রাজিবুর রহমান বলেন, আমটির প্রথম সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তাই বাংলার প্রাচীন এই জনপদের নাম থেকে ‘গৌড়’ আর মূল্য বিবেচনায় রত্নের সঙ্গে তুলনা করে ‘মতি’ শব্দের সমন্বয়ে নতুন জাতের এই আমটির ২০১৩ সালে নামকরণ করা হয়েছিল ‘গৌড়মতি’।

তিনি বলেন, এটি একটি নাবি জাতের আম। সারাদেশের আমের জোগান যখন শেষ হয়, তখনই পাকতে শুরু করে এই গৌড়মতি। এই আম অত্যন্ত সুস্বাদু। আর যেহেতু সব আমের শেষে পাকে এই তাই দামও বেশ ভালো পান চাষিরা। এই আম জেলার জন্য একটি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা

আধুনিক ইমারতের যুগে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা ঘর। সাতক্ষীরা জেলায় প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় আগাম জাতের হাইব্রিড মুখিকচুর চাষ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আগাম জাতের হাইব্রিড মুখিকচু চাষ করেছেন চাষীরা। বর্তমানে পরিচর্যায় ব্যস্তবিস্তারিত পড়ুন

শখ থেকে সাফল্য: কলারোয়ায় বাড়ির আঙিনায় আঙুরের ফলন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শখের বসে বাড়ির আঙিনায় আঙুরের চারা রোপণ করে সাফল্যের মুখবিস্তারিত পড়ুন

  • রোদ, গরম আর হঠাৎ ঝড়: কেন এতো অস্থির দেশের আবহাওয়া?
  • দেশসেরা সুস্বাদু আমে সয়লাব সাতক্ষীরার বাজার: গোবিন্দভোগ প্রতিমণ ১৬০০ টাকা
  • সাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু, সিন্ডিকেটে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদের
  • বৃষ্টিতে ভেজা ধানের চারা গজানো রোধে কৃষি বিশেষজ্ঞদের জরুরি পরামর্শ
  • শার্শার মাঠে সবুজের ঢেউ, বোরো ধানে বাম্পার ফলনের আশা
  • সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা
  • হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সেই ‘জাতা’
  • নগদ অর্থ, বিমাসহ যেসব সুবিধা মিলবে কৃষক কার্ডে
  • পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ : রাষ্ট্রপতি
  • সাতক্ষীরায় ফিশ কালচার অ্যান্ড ব্রিডিং’র ” উপর বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ
  • মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত