শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কন্যা সন্তান হওয়ায় স্ত্রী’র উপর নির্যাতন, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ!

পরপর ৪ কন্যা সন্তানের জন্ম ও ছোট কন্যা ভূমিষ্ট হওয়ার আগেই অবৈধ গর্ভপাতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী’র উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী, সতিন, দেবর, শ্বাশুড়ি মিলে বিশাখা রাণী দাস কে শারিরীক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এঘটনায় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে কেশবপুর থানার কোমরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মৃত্যু হরেন দাসের মেয়ে বিশাখা রাণী দাস কে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কোমরপুর গ্রামের মৃত্যু হাজরাপদ দাসের ছেলে শিবপদ দাসের সাথে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে তার গর্ভে পরপর ৪টি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তৃতীয় কন্যা সন্তানের জন্মের পর থেকে তার উপর নির্যাতন শুরু হয়। কারণে অকারণে তাকে মারধর করা হতো। এরই মধ্যে ৪র্থ সন্তান গর্ভে আসে। আসল বিপত্তি ঘটে ৪র্থ কন্যা সন্তানের জন্মের পর। প্রথমে সন্তান নষ্ট করার চেষ্টা করে। এতে বিশাখা রাজি না হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি। ৪র্থ সন্তান জন্মের পর থেকে তার উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। গত ৪ মাস পূর্বে বিশাখা কে মারপিট করে পিতার বাড়িতে রেখে যাওয়া হয়। এর কিছুদিন পরে তাকে না জানিয়ে স্বামী শিবপদ দাস আবার বিয়ে করে। এই ঘটনা জানতে পেরে সে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যপক মারধর করে। এসময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তার ভাই রবিন দাস তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। এখনো অসুস্থ বিশাখা তালা সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

‎হাসপাতালে শয্যাসাহী বিশাখা দাস বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে আমার বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে আমার পরপর ৪ মেয়ে হয়। ছোট মেয়ে পেটে আসলে আমার স্বামী নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়। আমি বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হইনি। ছোট মেয়ের জন্মের পর থেকে আমার উপর বেশি নির্যাতন শুরু করে। প্রায়ই আমাকে মারধর করে। ৪ মাস আগে আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তখন আমার শ্বাশুড়ি ৭ দিন পরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাপের বাড়ি রেখে যায়। সে থেকে আমি বাপের বাড়ি থাকি। এরমধ্যে ১ মাস আগে আমার স্বামী আমাকে রেখে আবার বিয়ে করে। জানতে পেরে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যাপক মারধর করে। এসময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আমার ভাই রবিন দাস উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে।

‎বিশাখার ভাই রবিন দাস বলেন, আমি খবর পেয়ে বোনের বাড়িতে গিয়ে বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পাই। এসময় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করি।

‎মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় অভিযুক্ত শিবপদ দাসের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলামের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরেবিস্তারিত পড়ুন

৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

৩০ আগস্ট (রোববার) সাতক্ষীরা জেলা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

তালার উন্নয়নের সঙ্গে প্রেসক্লাব ভবনেরও উন্নয়ন হবে: হাবিবুল ইসলাম হাবিব

তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)বিস্তারিত পড়ুন

  • তালায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ দুজন নিহত
  • তালায় প্রতিবন্ধী সনাক্তকরণ জরিপ অনুষ্ঠিত
  • তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
  • তালার সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যু, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল
  • শেখ রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক
  • তালায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণচেষ্টা, যুবক আটক
  • তালায় অনগ্রসর সম্প্রদায়ের নারী অধিকার ফোরামের মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ
  • তালায় প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দিল সাপোর্ট হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন
  • পাটকেলঘাটার আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটি সভাপতি আরিফুল ইসলাম
  • মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তালা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
  • তালার দলুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
  • তালায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা