মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

খামেনি পরবর্তী যে কোনো উত্তরসূরিকে নির্মূল করার অঙ্গীকার ইসরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেননি স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নিযুক্ত যে কোনো নেতাকেই হত্যা করার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বুধবার (৪ মার্চ) এক কঠোর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, খামেনেইর পর যাকে এই পদে বসানো হোক না কেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে।

কাটজ উল্লেখ করেন যে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা বা তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী’ যদি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা অব্যাহত রাখার জন্য কাউকে মনোনীত করে, তবে তাকে রেহাই দেওয়া হবে না। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও ব্যক্তিগত এবং ভয়াবহ পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ তার বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থা কর্তৃক নিযুক্ত যে কোনো নেতা, যিনি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা এগিয়ে নেবেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মুক্ত বিশ্ব এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন এবং ইরানি জনগণকে নিপীড়ন করবেন, তিনি আমাদের নির্মূল তালিকার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবেন।’

কাটজ আরও যোগ করেন যে, ‘সেই ব্যক্তির নাম কী বা তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা আমাদের কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।’ ইসরায়েলের এই সরাসরি হুমকি থেকে বোঝা যায় যে, তারা ইরানের নেতৃত্ব পর্যায়ে শূন্যতা তৈরি করতে এবং দেশটিকে অভিভাবকহীন করার কৌশল গ্রহণ করেছে।

ইসরায়েল কাটজ আরও দাবি করেছেন যে, ইসরায়েল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে যাতে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়। তার মতে, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা চূর্ণ করার পাশাপাশি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হবে যাতে ইরানি জনগণ নিজেরাই তাদের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে অনুপ্রাণিত হয়।

ইসরায়েলের এই কৌশলগত উদ্দেশ্য তেহরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের দিকেই ইঙ্গিত করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো নেতার নাম ঘোষণা না করা হলেও ইসরায়েলের এই আগাম হুমকি পুরো অঞ্চলে এক নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে কাটজ ইরানের বর্তমান অবস্থাকে নিপীড়নমূলক হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন যে, ইরান কেবল ইসরায়েল নয় বরং পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। ইসরায়েলি বিমানবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের সম্ভাব্য পরবর্তী নেতাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে বলেও সূত্রের খবর।

এর আগে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকেই তেহরান এবং তেল আবিবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি তুঙ্গে রয়েছে। ইসরায়েলের এই ‘নির্মূল অভিযান’ বা এলিমিনেশন নীতি ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোকে লক্ষ্য করে একটি বড় ধরনের সামরিক চাল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাতিসংঘ সফরে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী, ৪ দিনে যেসব কর্মসূচি

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন।বিস্তারিত পড়ুন

বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

জতিসংঘের ভাষণে বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইর্য়কবিস্তারিত পড়ুন

শ্রীলঙ্কায় গণকবর থেকে ৫৭২ জনের কঙ্কাল উদ্ধার

উত্তর শ্রীলঙ্কার জাফনা অঞ্চলের চেম্মানি এলাকায় একটি শ্মশান সম্প্রসারণের কাজ চলছিল। মাটিবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘মক্কা জোট’ হবে এক যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম: তুরস্ক
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে সই করলেন ট্রাম্প
  • মার্কিন-ভারত সম্পর্কে নতুন বাধা ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বিল
  • সৌদি আরব রক্ষায় ‘যেকোনো কিছু’ করতে প্রস্তুত পাকিস্তান : আইএসপিআর প্রধান
  • ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানালেন মন্ত্রীরা
  • পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
  • বাণিজ্যে ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
  • আয়ারল্যান্ডকে একীভূত করার পক্ষে ট্রাম্প, ক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্য
  • ভারত থেকে নিজের মল-মূত্র সঙ্গে নিয়ে রাশিয়া ফিরবেন পুতিন!
  • ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা
  • ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুতিরা