সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ইরানের মাশহাদে হবে খামেনির দাফন, শোকসভায় অংশ নেবে লক্ষাধিক মানুষ

ইরানের নিহত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দেশের অন্যতম পবিত্র শহর মাশহাদে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খামেনির মৃত্যু ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে তীব্র প্রভাব ফেলেছে। সেমি-অফিশিয়াল ফারস নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, খামেনিকে দাফন করা হবে মাশহাদে, যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তার পিতা সমাহিত আছেন। শহরটি ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং শিয়া ইসলামের প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র, যেখানে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজার। এটি প্রতি বছর লক্ষাধিক তীর্থযাত্রীকে আকর্ষণ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮৬ বছর বয়সে খামেনি গত সপ্তাহান্তে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার সময় নিহত হন। তার মৃত্যুর খবর প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ স্যোসালে ঘোষণা করেন এবং পরে ইরানি সরকারও নিশ্চিত করে। ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দাফনের আগে তেহরানে বড় শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে, তবে দাফনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

খামেনি ৩৬ বছর ধরে ইরান নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মৃত্যুর ফলে দেশটির রাজনৈতিক ভারসাম্য ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির অনুপস্থিতিতে দেশটির অভ্যন্তরীণ শক্তি ভারসাম্য বদলাতে পারে, যা ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ওপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সঙ্গে চলমান সংঘাতেও এটি নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে দিকে ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হয়েছেন মোজতবা খামেনি। তিনি খামেনির জ্যেষ্ঠ পুত্র। যদিও তিনি কখনও সরকারি পদে ছিলেন না, তবে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং রাজনৈতিক নেটওয়ার্কে তার শক্তিশালী উপস্থিতি তাকে দেশটির ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত করেছে। মোজতবা খামেনি ১৯৬৯ সালে মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সম্প্রতি কয়েকদিনের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার নিয়েছে এবং এতে প্রায় ৭০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এই হামলা বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যা পর্যটন ও বাণিজ্যকে ব্যাহত করছে। এতে উপসাগরীয় দেশগুলোও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা এখনো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়নি। তবে যদি পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপেও অংশ নিতে পারে। সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান জরুরি বৈঠকে বসে নিজেদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাইকেলে চড়ে ১৯ বছরে ১৯১ দেশ ভ্রমণ বাঙালির

প্রায় দুই দশক ধরে সাইকেল চালিয়ে একের পর এক দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেনবিস্তারিত পড়ুন

চালু হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিভি লটারি’

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার গ্রিন কার্ডের লটারি বা ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) কার্যক্রম এখনইবিস্তারিত পড়ুন

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

  • জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই
  • উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী