বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গাজায় গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েলকে বার্তা দিল জাতিসংঘ

গাজায় ‘গণহত্যা’ ঠেকাতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ‘জাতিগত নিধন’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৮ মে) জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম তদন্ত করেছে জাতিসংঘ। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধ ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

জাতিসংঘ ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্সসহ একাধিক তদন্তে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ গণহত্যার শামিল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী জিম্মিদের ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ছাড়া তারা কিছু হামলায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছিল। তবুও বহু হত্যাকাণ্ড ছিল অবৈধ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৪০ জনকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত কিছুটা থামে। এরপরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং গত সাত মাসে আরও শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংঘাত পর্যবেক্ষকরা বলছেন, গত মাসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি নাগরিক ও সামরিক বাহিনীর সহিংস অভিযানও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বড় অংশ সংযুক্ত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের জীবনব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ইসরায়েলের ‘সমন্বিত ও দ্রুততর প্রচেষ্টা’ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইসরায়েলের প্রতি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলকে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে হবে, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দিতে হবে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বন্ধ করতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের প্রধান অজিত সুনঘাই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুদ্ধবিরতির পরও কোনো অর্থবহ জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি। মূল সমস্যা তথা দীর্ঘস্থায়ী দখলদারিত্বেরও কোনো মৌলিক সমাধান হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমেরবিস্তারিত পড়ুন

মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম-এর সঙ্গে তার বিস্তৃত ওবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান
  • মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক: বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা
  • পুত্রাজায়ায় তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা
  • মালয়েশিয়ায় বন্দি বাংলাদেশিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ায় লালগালিচা সংবর্ধনা
  • কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ নিহত ৬
  • যুদ্ধে ইরানই ‘বিজয়ী’, মনে করেন ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি
  • আমি কখনও আকুতি করি না, ট্রাম্পের দাবি মনগড়া: মেলোনি
  • নেতানিয়াহুকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যে কঠিন হতে হয়: ট্রাম্প
  • এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ
  • রোহিঙ্গাদের জন্য ১.৪ কোটি ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ