রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গাজায় গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েলকে বার্তা দিল জাতিসংঘ

গাজায় ‘গণহত্যা’ ঠেকাতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ‘জাতিগত নিধন’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৮ মে) জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম তদন্ত করেছে জাতিসংঘ। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধ ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

জাতিসংঘ ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্সসহ একাধিক তদন্তে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ গণহত্যার শামিল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী জিম্মিদের ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ছাড়া তারা কিছু হামলায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছিল। তবুও বহু হত্যাকাণ্ড ছিল অবৈধ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৪০ জনকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত কিছুটা থামে। এরপরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং গত সাত মাসে আরও শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।

সংঘাত পর্যবেক্ষকরা বলছেন, গত মাসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি নাগরিক ও সামরিক বাহিনীর সহিংস অভিযানও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বড় অংশ সংযুক্ত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের জীবনব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ইসরায়েলের ‘সমন্বিত ও দ্রুততর প্রচেষ্টা’ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক ইসরায়েলের প্রতি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলকে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে হবে, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দিতে হবে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বন্ধ করতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের প্রধান অজিত সুনঘাই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুদ্ধবিরতির পরও কোনো অর্থবহ জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি। মূল সমস্যা তথা দীর্ঘস্থায়ী দখলদারিত্বেরও কোনো মৌলিক সমাধান হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বেসামরিক স্থাপনায় হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।বিস্তারিত পড়ুন

নিদালের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জন নিরস্ত্র সেনাকে নির্বিচারেবিস্তারিত পড়ুন

গাজাবাসীদের পক্ষে লড়াই করা শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই

গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেনবিস্তারিত পড়ুন

  • ১৬ বছরের নির্যাতন-নিপীড়ন গুম-খুনের চিত্র তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী
  • বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই
  • পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল
  • বিদায়ী ম্যাচে হলুদ-লালকার্ড ও বল পেলেন মেসি!
  • ইতালিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদন যেভাবে
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দি‌লে ভিসা প্রত্যাখ্যান হ‌তে পা‌রে : মার্কিন দূতাবাসের বার্তা
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
  • ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে এক মঞ্চে মেলানিয়া ট্রাম্প ও জুবাইদা রহমান
  • মক্কার মসজিদে আত্মঘাতী হামলার ভুয়া খবর, আটক ১
  • ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
  • হজযাত্রীদের জন্য এক প্যাকেজে সব সেবা, নতুন উদ্যোগ সৌদি আরবের