শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বেতনার তীরে ০৭০৯-এর বৃক্ষরোপণ, নদী ও পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার

সকালের নরম আলো তখন নদীর জলে এসে পড়েছে। বেতনার তীরে শাল্য মাছখোলা এলাকায় একে একে জড়ো হচ্ছিলেন কয়েকজন বন্ধু। কারও হাতে অর্জুনের চারা, কারও হাতে জাম, কাঠবাদাম কিংবা জারুল। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুরাও। লক্ষ্য একটাই- নদীর তীর রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা।

শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সদরের বেতনা নদীর শাল্য মাছখোলা তীরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন এস.এস.সি ২০০৭ ও এইচ.এস.সি ২০০৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নদীর তীরজুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। শাল্য সেতুর পাশ থেকে চেয়ারম্যানের বলফিল্ডের পাশ পর্যন্ত এলাকায় রোপণ করা হয় অর্জুন, জাম, কাঠবাদাম, কদবেল, জারুল, কৃষ্ণচূড়া ও কদমফুলের চারা। নদীর তীরকে সবুজ বেষ্টনীতে পরিণত করার পাশাপাশি এসব গাছ ভবিষ্যতে ছায়া, সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে- এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, নদী শুধু পানির প্রবাহ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এলাকার মানুষের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশ। নদীর তীর দখল, ভাঙন ও পরিবেশের নানা সংকটের পাশাপাশি নির্বিচারে গাছ কাটার কারণে প্রকৃতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই নদীর তীরে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করা প্রয়োজন।

কর্মসূচিতে সফিউল আলম, এস এম আশরাফুল ইসলাম, রাহুল ব্যানার্জী, আব্দুল হালিম ও আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাঁদের সঙ্গে উৎসাহ নিয়ে অংশ নেয় স্থানীয় কোমলমতি শিশুরাও।

বৃক্ষরোপণের সময় শিশুদের হাতে যখন একেকটি চারা তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন সেখানে তৈরি হয় অন্য রকম এক পরিবেশ। ছোট ছোট হাতে মাটিতে গর্ত করে চারা বসানো, তারপর মাটি চাপা দেওয়া- সবকিছুতেই ছিল আনন্দ ও আগ্রহ।

আয়োজকেরা মনে করেন, শিশুদের এমন পরিবেশবান্ধব কাজে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির প্রতি তাদের দায়িত্ববোধও তৈরি হবে। এসএসসি ২০০৭ ও এইচএসসি ২০০৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়েছেন।
তাঁদের প্রত্যাশা, বেতনার তীরের এই সবুজায়ন কর্মসূচি শুধু একটি দিনের বৃক্ষরোপণে সীমাবদ্ধ থাকবে না; নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে একদিন এসব চারা বড় গাছে পরিণত হবে। তখন বেতনার তীর হয়ে উঠবে আরও সবুজ, শীতল ও প্রাণবন্ত।

আয়োজকদের ভাষায়, আজকের লাগানো একটি চারা হয়তো আগামী দিনের একটি বড় গাছ। সেই গাছের ছায়ায় দাঁড়াবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তাই পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়- নদীর তীরের মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের প্রত্যেকের। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই বেতনার তীরে ০৭০৯-এর এই বৃক্ষরোপণ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মনসা ও বিশ্বকর্মা পূজায় সাতক্ষীরা পলাশপোল মনসাতলায় বটবৃক্ষের নিচে মিলনমেলা

শুরু হলো হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনসা পূজা ও বিশ্বকর্মা পূজা, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন

সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করা হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান

ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায়বিস্তারিত পড়ুন

  • ‘আমি এখনো জামায়াতের’ : এমপি গাজী নজরুল
  • সাতক্ষীরা পাউবো -২ এর প্রকৌশলী আশিকুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা
  • “সতীনের সাথে সংসার করা যায় কিন্তু লবণ পানি নিয়ে সংসার করা যায় না”
  • বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
  • সাতক্ষীরার রসুলপুরে ট্রি অফ লাইফ এর উদ্যোগে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
  • সাতক্ষীরাতে প্রাক্তন আরসিদের নিয়ে সমাবেশ
  • সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
  • নারীর কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সাতক্ষীরায় জেন্ডার ট্রান্সফরমেশনমূলক সংলাপ
  • সাতক্ষীরায় অধিকার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে শিবপুরে ‘নারীর আদালত’
  • চেতনার বাতিঘর নজরুল: সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক উৎসব
  • সাতক্ষীরার পি কে ইউনিয়ন ক্লাবের ৩ বছর মেয়াদী কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে সাধারণ সভা
  • শ্যামনগরে বিআরটিসি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত