শুক্রবার, জুন ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনা

মহাকালের পঞ্জিকা থেকে ঝরে গেছে ২৮টি বছর। তাও ফুটবলে সুদিন ফিরছিল না আর্জেন্টিনায়। লিওনেল মেসির হাত ধরে দীর্ঘদিনের গ্রহণকালের অন্ধকার দূর হয়েছে অবশেষে। কোপার ফাইনাল জিতে আর্জেন্টিনা এখন সাফল্যের জোছনায় আলোকিত। মারাকানার ফাইনালে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা খরা কাটিয়েছে মেসির দল।

অথচ এই কোপার মঞ্চেই বার বার ব্যর্থ হতে হয়েছে মেসিকে। ২০১৫, ২০১৬ তে বার দুবার কাছে গিয়েও পরম আরাধ্য শিরোপা ছোঁয়া হয়নি মেসির। সেই মেসিই এখন এমন চূড়ায় উঠলেন, যা ম্যারাডোনাও পারেননি!

টাইব্রেকারে জেতা সেমি থেকে ৫ পরিবর্তন আনে স্ক্যালোনি। শুরুর একাদশে ফিরেছেন ডি মারিয়াও। তাতেই হয়েছে বাজিমাত। অপর দিকে অপরিবর্তিত দল সাজান ব্রাজিল কোচ তিতে।

শুরুতে বল দখলে দুই দলের আধিপত্য ছিল প্রায় সমানে সমান। আক্রমণেও তাই। তবে প্রথম ২০ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিলের আক্রমণভাগে হানা দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। বরং ব্রাজিল ভীতি ছড়িয়েছে। ম্যাচে ফাউল করে খেলার প্রবণতাও ছিল বেশি।

১৩ মিনিটে ব্রাজিল ভালো সুযোগ পেয়েছিল। নেইমার বক্সে ঢুকে শট নিয়েছিলেন। কিন্তু আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারদের কারণে তা বাধাপ্রাপ্ত হয়। মেসি-মার্টিনেজরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ২২ মিনিটে তাতে সফলও হয় তারা। দে পলের লং থ্রু থেকে ডিফেন্ডার রেনান লোদি ঠিক মতো ক্লিয়ার করতে পারেননি, দি মারিয়া বল পেয়ে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলকিপার এদেরসনের মাথার ওপর দিয়ে বা পায়ে সুন্দর ফিনিশিংয়ে গোল করে এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনাকে। ২০০৪ সালে সিজার দেলগাদো সবশেষ আর্জেন্টিনার হয়ে গোল পেয়েছিলেন। এবার অনেকদিন পর দি মারিয়া গোল পেলেন। ২৯ মিনিটে দি মারিয়ার শট রক্ষণে এসে বাধাপ্রাপ্ত হলে ব্যবধান বাড়ানো যায়নি।

ব্রাজিলও গোল শোধে হানা দিয়েছে। নেইমার-পাকেতারা চেষ্টা করেছেন। কিন্তু গোলকিপার মার্তিনেজকে বড় পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়ে ব্রাজিলের। ৫২ মিনিটে রিচার্লিশন গোল করেছিলেন। কিন্তু অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। ৫৫ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগটি হাতছাড়া করে ব্রাজিল। ডানপ্রান্ত দিয়ে নেইমার বল দিয়েছিলেন তাকে। কিন্তু রিচার্লিশনের দুর্বল শট সহজেই রক্ষা করতে পেরেছিলেন এমি মার্তিনেজ।

৬৫ মিনিটে মার্কুইনহোসের ভুলে বল নিয়ে ব্রাজিলের বক্সে ছুটেছিলেন মেসি। ভালো সুযোগ থাকলেও তার শট ব্লক করে দেন ব্রাজিল ডিফেন্ডাররা।

৭১ মিনিটে নেইমারের কল্যাণে গোলের সুযোগ ছিল। কিন্তু বক্সে পাকেতা বল পেলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।

৭৩ মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে গোলের চেষ্টা করেছিলেন আকুনা। কিন্তু মাটি গড়ানো তার শট সরাসরি চলে যায় ব্রাজিল গোলরক্ষকের কাছে।

শেষ দিকে বার বার ত্রাস ছড়ালেও ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি ব্রাজিল। বরং ফাউলের ছড়াছড়ি ছিল বেশি। নেইমারকেও টার্গেটে পরিণত করেছিলেন আলবিসেলেস্তেরা। আক্রমণের ঢেউ উঠলেও সেলেসাওদের আক্রমণগুলো বাধা পাচ্ছিলো আর্জেন্টিনার রক্ষণে। আবার এমি মার্তিনেজও কম ছিলেন না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দুর্দান্ত জয়ের পর নেইমারকে নিয়ে বড় বার্তা দিলেন আনচেলত্তি

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই নকআউটবিস্তারিত পড়ুন

মহাকাশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ট্রাইওন্ডা নিয়ে গবেষণা

ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মহাকাশে। আন্তর্জাতিকবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্তর্গত ক্লাব/সংস্থারবিস্তারিত পড়ুন

  • আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ কেন
  • কলারোয়ায় ফুটবলারদের নতুন দুটি ফুটবল দিলো সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশন
  • একটি জার্সির দাম যে কারণে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা
  • মেসিকে লাল কার্ড দেখানো হল না কেন? ফাউল নিয়ে বিতর্ক
  • মেসি এত ভালো খেলে কেন : বুবলী
  • এক ম্যাচে ৮ রেকর্ড গড়লেন ফুটবল জাদুকর মেসি
  • হ্যাটট্রিকের পর মেসির স্ত্রী বললেন, ‘তুমি অবিশ্বাস্য’
  • কালো মাস্ক পরে কেন খেলেছেন আলজেরিয়ার গোলরক্ষক
  • বিশ্বকাপ ফুটবলে কোন দলের সমর্থক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
  • ফুটবল ইতিহাসের ৯ বড় অঘটন
  • ৬৮ বছরেও কেউ স্পর্শ করতে পারেনি বিশ্বকাপের যে রেকর্ড
  • যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ফুটবলকে কেন ‘সকার’ বলা হয়?