রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মুক্তেশ্বরী নদীতে অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের দৌরাত্ম্য, হুমকির মুখে পানিপ্রবাহ ও মৎস্যসম্পদ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মুক্তেশ্বরী নদী ও আশপাশের জলাশয়ে অবৈধভাবে বাঁধ বা পাটা দিয়ে মাছ শিকারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পরিচালিত এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার ক্ষেত্র, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মুক্তেশ্বরী নদীর উপর আড়াআড়িভাবে বাঁশ, জাল ও কাঠের কাঠামো ব্যবহার করে পাটা স্থাপন করা হয়েছে। এসব পাটায় কারেন্ট জাল, মশারি জাল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ফলে ছোট মাছ, মাছের পোনা ও ডিমও রক্ষা পাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে নদী ও বিলের পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ায় প্রতিবছরই দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি নদীতে পাটা বসিয়ে বছরের পর বছর মাছ শিকার করছেন। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এতে সাধারণ জেলেরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি নদীর পরিবেশও ধ্বংস হচ্ছে।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, “আগে মুক্তেশ্বরী নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। এখন পোনা মাছ পর্যন্ত ধরে ফেলায় মাছের উৎপাদন কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নদীর সেই মাছ আর দেখতে পাবে না।”
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, নদীতে অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার শুধু মৎস্যসম্পদের ক্ষতিই করছে না, বরং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে নদীর নাব্যতাও কমিয়ে দিচ্ছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে নদী ভরাট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত এসব অবৈধ পাটা অপসারণ এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা নদী ও জলাশয় রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনারও দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সচেতন মহলের অভিমত, মুক্তেশ্বরী নদী ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ পাটা ও নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য ও দেশীয় মৎস্যসম্পদ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মণিরামপুরে স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

যশোরের মণিরামপুরে পলাশ বিশ্বাস (৪৭) নামে এক স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছেবিস্তারিত পড়ুন

রাজগঞ্জের ‘সন্দেশ দাদু’ : সংগ্রাম আর ভালোবাসার এক অনন্য গল্প

জীবনের প্রতিটি দিনই যেন তার কাছে নতুন এক সংগ্রামের গল্প। বয়স নব্বইয়েরবিস্তারিত পড়ুন

যশোরের মণিরামপুরের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে পড়া সড়ক ও সেতু পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক

ভারী বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত মণিরামপুর উপজেলায় ভেঙ্গে পড়া সড়ক ও ব্রীজের বিভিন্ন অংশবিস্তারিত পড়ুন

  • রাজগঞ্জ-পুলেরহাট সড়কে পিকআপের বেপরোয়া গতি : আতঙ্কে পথচারী, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
  • রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া
  • অতিভারী বৃষ্টিতে ঝাঁপা বাওড়ের মাছ খালে ভেসে যাচ্ছে, দুই কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা
  • বৃষ্টিভেজা মাঠে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের লড়াই, ফুটবল উৎসবে মাতল রাজগঞ্জের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
  • যশোরের মণিরামপুরে দেড় মাসে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৯ জনের মৃত্যু
  • খাদ্যের সন্ধানে যশোরের রাজগঞ্জে একসাথে ১৫টি হনুমান!
  • শিক্ষার গৌরব ও সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অনন্য যশোরের রাজগঞ্জ হাইস্কুল
  • মণিরামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
  • যশোরের রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা রোপণ
  • জাহিদ হাসান টুকুনের সুস্থতায় রাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের দোয়া কামনা
  • মণিরামপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক
  • বেনাপোল-মোংলা রেলপথে ৩ লাখ দেশি খেজুরের আঁটি ছড়িয়ে ইতিহাস