শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মোবাইলের নেশা মাদকের চাইতে ভয়ংকর, প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট বাচ্চারা

স্মার্ট মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা। এসব ছেলে-মেয়েরা, তাদের বাবা-মায়ের স্মার্ট মোবাইল ফোন নিয়ে সারাক্ষন ইন্টারনেট চালু করে গেম, টিকটকসহ বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে ঢুকছে এবং তাতেই আসক্ত হচ্ছে।

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে অহরহ। দেখাগেছে- এইসব ছেলে-মেয়েদের হাতে মোবাইল ফোন না দিয়ে কান্নাকাটি, খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে। এমনকি মোবাইল ফোন নিতে না দিলে বা কেড়ে নিলে অভিমান করে আত্মহত্যা পর্যন্ত করছে। আর যেসব ছেলে-মেয়েরা মোবাইলের নেশায় আসক্ত হচ্ছে, তারা জগতের সমস্ত কিছু ভুলে যাচ্ছে। সারাক্ষন ঘরবন্ধি হয়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকছে। এসব ছেলে-মেয়েরা কোনো খেলাধুলা করতে চাই না। সারাদিন মোবাইল ফোন নিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা মোবাইলে আসক্ত হয়ে তাদের নিজের ক্ষতি করছে, তা তারা বুঝতে পরেছে না। কিন্তু অভিভাবকরা কোনো মতেই মোবাইলের আসক্ত থেকে সরাতে পারছে না।

রাজগঞ্জের হানুয়ার গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৩৭) নামের একজন অভিভাবক বলেন- বাচ্চাদের একি অবস্থা। মোবাইল ছাড়া তারা কিছুই বোঝে না। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন কতো খেলাধুলা করেছি। এখনকার ছেলে-মেয়েরা কোনো খেলাধুলা করে না। সারাক্ষন মোবাইল নিয়ে ঘরের ভিতর পড়ে থাকে। এভাবে মোবাইলে আসক্ত হলে, এই প্রজন্ম কি করবে?

রাজগঞ্জের আশরাফুল ইসলাম (৪০) নামের একজন অভিভাবক বলেন- ছেলে-মেয়েদের মোবাইলের আসক্ত থেকে কি করে ঠেকাবো। তাদের হাতে মোবাইল না দিলে, অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। মোবাইলে আসক্ত প্রায়ই ছেলে-মেয়েরা মাথা এবং চোখের রোগে ভুগছে।

রফিকুল ইসলাম (৫০) নামের একজন অভিভাবক বলেছেন- বাচ্চারা মোবাইল ফোনের নেশায় আসক্ত হয়ে এক সময় প্রতিবন্ধী হয়ে যাবে। কারন মোবাইল ফোনের নেশা, মাদকের চাইতে ভয়ংকার। মাদকের নেশায় বয়স্ক মানুষ জড়িয়ে পড়ে। আর এই বাচ্চারা তাদের জীবনের শুরুতেই মোবাইলের আগ্রাসী থাবার শিকার হচ্ছে। এরা ছোট থেকেই ভয়ংকার নেশাই আসক্ত হচ্ছে। এর প্রতিকার কি তা জানি না।

রাজগঞ্জ এলাকার একজন শিক্ষক বলেন- ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া ঠিকমতো করছে না। এক জরিপে দেখাগেছে- বই-খাতা ফেলে অধিকাংশ ছেলে-মেয়েরা মোবাইলে সময় দিয়ে থাকে। অভিভাবকরা মোবাইল ধরতে নিষেধ করলেই আত্মহত্যার হুমকি দেয় ছেলে-মেয়েরা। এই শিক্ষকও, তার বাচ্চা নিয়ে মহা বিপদে আছে। তিনিও এর প্রতিকার খুজে পাচ্ছে না।

একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেছেন- চোখের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা রোগীর মধ্যে অধিকাংশই বাচ্চারা। এরা সবাই মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখতে রাখতে এদের চোখ নস্ট হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্ম এই ভাবে মোবাইলে আসক্ত থাকলে কি হবে তা বলা যাচ্ছে না। তিনি অভিভাবকদের সচেতন হতে বলেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মনিরামপুরে ডোবার পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃ*ত্যু

ডোবার পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে যশোরের মনিরামপুরে লিয়াকত গাজী (৬০) নামের একজন কৃষকেরবিস্তারিত পড়ুন

১০ টাকায় বিক্রি চাষির পটোল, ২৫-৩০ টাকায় কিনছেন ক্রেতা

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ পাইকারি বাজারে পটোলের দামেবিস্তারিত পড়ুন

‘২৫ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট’ অফারের ফাঁদে নতুন প্রতারণা, ওটিপি দিলেই ঝুঁকিতে ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ

“২৫ জিবি প্রিমিয়াম ডেটা একদম ফ্রি”, “সব মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষবিস্তারিত পড়ুন

  • মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ দ্রুত প্রদানের দাবি
  • মনিরামপুরে বাবার বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, সন্দেহের তীর স্বামীর দিকে
  • মনিরামপুরে মৎস্য খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে চারা মাছ বিতরণ
  • মালয়েশিয়ায় হরিহরনগর গ্রামের যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া
  • যশোরের ঝাঁপা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন শিক্ষক-সাংবাদিক আছাদুজ্জামান
  • রাজগঞ্জে সরকারি কবরস্থানের দাবিতে এলাকাবাসী সোচ্চার
  • এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র মুক্তারপুর বাজার নদীপথের ঐতিহ্য বহনকারী বাজার এখন জরাজীর্ণ
  • মনিরামপুরে বসুন্ধরা-শুভসংঘের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা
  • মনিরামপুরে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
  • মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষার্থী নিহত
  • মনিরামপুরে দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন
  • নাগরিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মনিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা