শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

২০ বছরেও সংস্কার হয়নি সাতক্ষীরার মাছখোলা পশ্চিমের সড়ক, চরম দুর্ভোগ

দীর্ঘ দুই দশক ধরে সংস্কারের নামে চলছে কেবলই জোড়াতালি। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই সাতক্ষীরার ব্রম্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা পশ্চিম এলাকার একমাত্র প্রধান সড়কটি পরিণত হয় মরণফাঁদে। কাদা আর জমে থাকা পানিতে পুরো রাস্তা ডোবার মতো হয়ে যায়, ফলে স্বাভাবিক চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।
এটি কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন চিত্র নয়, বরং ব্রম্মরাজপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মাছখোলা পশ্চিম এলাকার প্রধান যোগাযোগের একমাত্র সড়কের বাস্তবতা। বছরের পর বছর ধরে চলা এই অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রম্মরাজপুর ২নং ওয়ার্ডের নতুন বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ক্লাব মোড় পর্যন্ত এই সড়কটি এলাকার প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও কৃষকসহ হাজারো মানুষ চলাচল করেন।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, দীর্ঘ ২০ বছরেও এই সড়কে কোনো স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার কাজ হয়নি। মাঝে মধ্যে লোকদেখানোভাবে কিছু ইটের খোয়া বা মাটি ফেলে জোড়াতালি দেওয়া হলেও বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তা ধুয়ে মুছে গিয়ে রাস্তা আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

বর্তমানে সড়কের অবস্থা এতটাই ভয়াবহ যে, পুরো পথজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। সাম্প্রতিক বৃষ্টির পানি জমে সড়কটি ছোটখাটো ডোবায় পরিণত হয়েছে। এতে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচলও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আমাদের দুঃখ দেখার কেউ নেই। এই রাস্তাই আমাদের একমাত্র ভরসা। ২০ বছর ধরে শুধু আশ্বাস শুনছি। ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা আসে, পরে আর খোঁজ থাকে না। বৃষ্টি হলেই ছেলেমেয়েরা কাদা মাড়িয়ে স্কুলে যেতে পারে না।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুর্ভোগের মধ্যেই কিছু প্রভাবশালী ও অসচেতন ব্যক্তি রাস্তার ওপর বালি, ইট ও নির্মাণসামগ্রী রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। এতে সরু ও ভাঙাচোরা রাস্তাটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। জরুরি সেবা ও যানবাহন চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে বড় বাধা।

স্থানীয়রা জানান, এ বিষয়ে একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিবারই “দ্রুত কাজ করা হবে” বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

এ অবস্থায় মাছখোলা পশ্চিম এলাকার হাজারো মানুষ দ্রুত ও স্থায়ীভাবে সড়কটি পাকাকরণ ও সংস্কারের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ রূপ নেবে এবং জনজীবন সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেতনার তীরে ০৭০৯-এর বৃক্ষরোপণ, নদী ও পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার

সকালের নরম আলো তখন নদীর জলে এসে পড়েছে। বেতনার তীরে শাল্য মাছখোলাবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্ব পাওয়ায় আইনমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতবিস্তারিত পড়ুন

দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক, সমাজসেবক জি.এম নূরবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক
  • সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনাল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা
  • সাতক্ষীরার দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা সাংবাদিক ফোরামের শোক
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি. এম. নুর ইসলামের মৃত্যুতে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের শোক
  • সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলামের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক
  • বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা
  • সাতক্ষীরা ডিবি গার্লস হাইস্কুলে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুম্নবী (সা.) উদযাপন
  • ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
  • সাতক্ষীরার রইচপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে জশনে জুলুস র‍্যালি অনুষ্ঠিত