রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ার ৩ গ্রামের মানুষ আজো পান না মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক!

কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের ৩ গ্রাম যথাক্রমে কাদপুর, চান্দুড়িয়া ও গোয়ালপাড়ায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল। খোলা মাঠে গেলে মোবাইল ফোনে একটু-আধটু নেটওয়ার্কের দেখা মেলে। এরপর ফোনে কথা বলতে বলতে নেটওয়ার্ক চলে যায়। এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ এই ৩ গ্রামের মানুষ তেমনভাবে পান না। কেননা, শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। এ জনপদের মানুষ পিছিয়ে পড়ছেন প্রতিদিনই। বাড়ছে দেশ-বিদেশের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ দূরত্ব। তারা বঞ্চিত হচ্ছেন সব ধরনের ই-সেবা থেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলারোয়ার সীমান্তবর্তী হিজলদি, বড়ালি, চান্দা, ভাদিয়ালি, কেঁড়াগাছি গ্রামে শক্তিশালী মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকলেও যা আছে, তাতে মোবাইল ফোন গ্রাহকরা মোটামুটি কথা বলতে পারেন। কিন্তু কাদপুর, চান্দুড়িয়া ও গোয়ালপাড়া গ্রামের মানুষের মোবাইল ফোনে কথা বলার সেই সুযোগটুকু নেই। এই এলাকায় বসবাস করা লোকজন জানান, সীমান্তের ঠিক ওপারে ভারতীয় ভূখ-ের সবখানেই তাদের দেশের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের কোনো কমতি নেই। এদেশের সীমান্তবর্তী জনপদেও ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় বলে জানা যায়। এমনকি অবাক হওয়ার মতো তথ্য হলো, চান্দুড়িয়া-কাদপুর থেকে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে গ্রামীণ ও রবির টাওয়ার। এত কাছে টাওয়ার থাকতেও এই জনপদ রয়ে গেছে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের বাইরে।

কলারোয়ার এই ৩ গ্রামের মধ্যে চান্দুড়িয়া একটি অতি প্রাচীন বাজার। বাজারে এখন মোবাইল ফোন বিক্রির অনেকগুলো দোকান রয়েছে। সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটারে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। কেউ কেউ তারবাহিত ওয়াইফাই সংযোগ নিতে শুরু করলেও তা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের বিকল্প হতে পারে না।

চান্দুড়িয়ায় রয়েছে কেসিজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামের একটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে রয়েছে একটি মানসম্মত বিজ্ঞানাগার। সেখানে রয়েছে পর্যাপ্ত কম্পিউটার ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। রয়েছে অনেক কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থী। রয়েছে একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুল। পাশের গ্রাম কাদপুরেও রয়েছে আর একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুল। চান্দুড়িয়া বাজারে রয়েছে ‘টিএমসি’ নামের একটি সমবায় ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় এই সব শিক্ষা, সামাজিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

চান্দুড়িয়া বাজারের ব্যবসায়ী ডা. ফারুক হোসেন, আমানুর রহমান, সাদউল্লাহ, রুহুল কুদ্দুস মোল্লা, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধান শিক্ষক হাসান আবু তাহের, মাস্টার আব্দুস সবুর, সাংবাদিক আতাউর রহমান, জাহিদ হাসান টিপুসহ চান্দুড়িয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, নেটওয়ার্ক না থাকায় তারা যোগাযোগের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন। সূত্র : দৈনিক পত্রদূত

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

কলারোয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০ গ্রামবিস্তারিত পড়ুন

সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ থেকে বৃত্তি প্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

কলারোয়ার সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ কোচিং থেকে প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় টানা বৃষ্টিতে ১২ হাজার হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট, দিশেহারা কৃষক

গত বৃহস্পতিবার রাতের টানা ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমিবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন পানিতে দেশি মাছ ধরার উৎসব, রাজগঞ্জের খাল-বিলে মাছ শিকারে মানুষের ঢল
  • কলারোয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী মহিলা শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সভা
  • কলারোয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
  • কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শনে এমপি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়া পৌরসভা : দুই পাশে উন্নত সড়ক, মাঝখানে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ
  • কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি
  • কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা
  • কলারোয়ার সেই অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্রের পাশে তারেক রহমান
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে জনতা ব্যাংকারদের ফুলেল শুভেচ্ছা
  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ানুষ্ঠান
  • যুব ও তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে হবে : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব