বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় জলাবদ্ধ জমিতে ‘পানি সিংড়া’র বাম্পার ফলন

মোস্তফা হোসেন বাবলু: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বেশ কিছু জলাবদ্ধ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে পানিফল। চলতি মৌসুমে উপজেলার ৩২ হেক্টর জমিতে পানি ফলের চাষ হয়েছে। আর এর বাম্পার ফলন হওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষীদের মুখে। স্থানীয়দের কাছে এই ফল ‘পানি সিংড়া’ নামে পরিচিত। পানি ফল বেশ পুষ্টিকর ও সুস্বাদু।

কলারোয়া পৌর সদরের গোপিনাথপুর গ্রামের পানিফল চাষী আজিবার গাজী ও নাঈম হোসেন জানান, ২০০৮ সালে আজিবার নামে এক কৃষক পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালিগঞ্জ থেকে বীজ এনে এই ফলের চাষ শুরু করেন। সেই থেকে বছর ১৪ ধরে কলারোয়ার পতিত ও জলাবদ্ধ জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পানি ফল চাষ শুরু হয়েছে। কম খরচে অধিক লাভ ও পতিত জমি ব্যবহারের সুযোগ থাকায় কলারোয়া উপজেলায় ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এর চাষাবাদ।

স্থানীয়রা জানান, প্রথমে পানিফলের আবাদ শুরু হয় গোপিনাথপুর গ্রামের আকবর সরদারের জমিতে। এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, এমনকি বিভিন্ন গ্রামে। বর্তমানে উপজেলার গোপিনাথপুর, তেলকাড়া, গোয়ালচাতর, কুশোডাঙ্গা, মুরারিকাটি ও কেড়াগাছি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে পানিফল। বাংলা ভাদ্র মাস থেকে আশি^ন মাস পযন্ত চাষীরা পানিফলের আবাদ করেন। আর বেচাকেনা চলে বাংলা কার্তিক, অগ্রহায়ণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত।

যশোর-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের কলারোয়া পৌরসদরের গোপিনাথপুর এলাকায় রাস্তার দু’ধারে দেখা মেলে পানি ফলের ক্ষেত। আর মহাসড়কের ধারেই পানিফল বেচতে বসে যান চাষীরা। পাওয়া যায় কলারোয়ার বাজার, বিভিন্ন মোড় ও ফুটপাতেও। বর্তমানে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায়ও যাচ্ছে কলারোয়ায় উৎপাদিত পানিফল।

পতিত ও জলাবদ্ধ ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- লতার মত গাছটির শেকড় নিচে থাকলেও পানির ওপরে ভেসে থাকে পাতাগুলো। অনেকটা কচুরিপানার মতো। ফলগুলোতে দুটি শিং-এর মত কাঁটা থাকে, তাই স্থানীয়দের কাছে এটি পানি সিংড়া নামে পরিচিত। ফলগুলো দেখতে সবুজ ও লাল হয়। খোসা ছাড়ালে বেরিয়ে আসে সাদা আশ, যা মিষ্টি সুস্বাদু।

পৌর সদরের আয়জুল ও লাভলু, তাহিদুর রহমান, নাঈম ,ওসমান গনিসহ কয়েকজন চাষী জানান, জলাবদ্ধ জমিতে পানিফলের চাষাবাদ করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে পানিফল আবাদে ১২-১৫ হাজার টাকা খরচ হয়, আর ফল বিক্রি হয় প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকার। এর চাষাবাদ বেশ লাভজনক।

তারা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি কেজি পানিফল ৪০-৪৫ টাকা দরে পাইকারী বিক্রি হয়। আর খুচরা বিক্রয় হয় ৫৫ টাকা দরে। দেশের অন্যান্য জেলায় পানিফলের চাষাবাদ হয় না। তাই মানুষ কম চেনে।

সম্প্রতি কলারোয়া উপজেলা থেকে এই ফল যশোর, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শুভ্রাংশ শেখর দাস বলেন, মৌসুমী ফল হলেও পানিফলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এতে অনেক পতিত জমির ব্যবহার যেমন নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনি কর্মসংস্থানও হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে পানিফল চাষে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ঈদের ছুটিতে দশ হাজার গাছের চারা রোপন ও বিতরণ

ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে দশ হাজার গাছের চারা রোপন ও বিতরণ করেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় হাতে হ্যান্ডকাপ লাগানো অবস্থায় পালালো আসামি, পরে ফের আটক

হাতে হ্যান্ডকাপ লাগানো অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার পর সেই আসামিকে ফের ধরলো পুলিশ।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় টুংটাং আওয়াজে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের

শুরু হয়েছে ঈদুল আযহার আমেজ। দরজায় কড়া নাড়ছে কুরবানির ঈদ। আর এরইবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় নকল-ভেজাল ঔষধ বিক্রয় না করা প্রসঙ্গে জনসচেতনামূলক সভা
  • জমে উঠেছে বাগুড়ি বেলতলা আমের বাজার
  • কলারোয়ায় সাফল্য ছড়াচ্ছেন আদর্শ কৃষক সাত্তার: ‘কৃষক দলগঠন’ মিটিংয়ে কৃষিতে বিপ্লব
  • কলারোয়ায় কোরবানির জন্য চাহিদার তুলনায় বেশি ২ হাজার ৫০০টি পশু প্রস্তুত
  • কলারোয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
  • কলারোয়ায় শিক্ষক নেতা আখতারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন
  • কলারোয়ায় ৩ দিনব্যাপী ভূমি মেলার শুভ উদ্বোধন
  • কলারোয়ার আব্দুর রাজ্জাক পেলেন জীবিকার নতুন ভ্যান
  • কলারোয়ায় অন্ধ ঘোড়ার পাশে মানবতার দৃষ্টান্ত গড়লেন কলেজ ছাত্র সোহান
  • সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ’র শাশুড়ি’র ইন্তেকাল
  • সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা
  • কলারোয়ায় ইলেকট্রিশিয়ানদের সাথে এমইপি গ্রুপের মতবিনিময়