বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দেশে করোনা সংক্রমণের ৮০ শতাংশের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণের পর ৮০ শতাংশের দেহেই ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।

শুক্রবার (৪ জুন) আইইডিসিআর ও বেসরকারি সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস-আইদেশি’র যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য ওঠে এসেছে বলে জানানো হয়েছে।

এর মধ্যে ৩৫ শতাংশেরই বিদেশ ভ্রমণ কিংবা দেশে বাইরে থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস নেই। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকান (বিটা) ধরন পাওয়া গেছে ১৬ শতাংশের দেহে।

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর জানান, গত ১৬ মে দেশে ভারতীয় ধরন শনাক্তের তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর আইইডিসিআর ও আইদেশি যৌথভাবে ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে কোভিড ১৯ সংক্রমণের এ চিত্র পেয়েছে।

আইইডিসিআর জানায়, সীমান্তবর্তী উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সংগৃহীত ১৬ নমুনার ১৫টি, গোপালগঞ্জ থেকে ৭ নমুনার সবকটি, খুলনা শহরের ৩ নমুনার সবকটিই ভারতীয় (ডেল্টা) ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় আসা সাতজনের দেহে ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন পাওয়া গেছে।

ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন শনাক্ত হয়েছে রাজধানীতেও। ঢাকা শহর থেকে ৪টি নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সের পর দুইজনের দেহে এটি পাওয়া যায়।

ভারতীয় (ডেল্টা) ধরনের বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আক্রান্তদের এক-চতুর্থাংশই (১০ জন) ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী। ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী রয়েছেন ২০ শতাংশ করে। ১৮ শতাংশের বয়স ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। ৭ শতাংশের বয়স ১০ বছরের নিচে। আর ১০ শতাংশ ৫০-ঊর্ধ্ব বয়সী।

পাশাপাশি যে ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন পাওয়া গেছে সেটিতে ৬০ শতাংশই পুরুষ বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

জিনোম সিকোয়েন্স করে যে ৪০ জনের মধ্যে ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে আটজনের ভারতে যাওয়ার ইতিহাস আছে। ১৮ জন বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন। বাকি ১৪ জন বা ৩৫ শতাংশের দেশের বাইরে যাওয়া কিংবা বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস নেই, যা ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন বাংলাদেশে সামাজিক সংক্রমণের প্রমাণ দিচ্ছে।

এর আগে আইইডিসিআর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক পরীক্ষা চালিয়ে জানায়, যারা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। আর গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে বলেও জানানো হয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পলিথিন ও প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধ এবং পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেবিস্তারিত পড়ুন

পুলিশকে বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন। প্রধানবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি ও বিরোধীদলের মধ্যে তর্ক, বিতর্ক, দ্বিমত ও বহুমত থাকলেও ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামীবিস্তারিত পড়ুন

  • হামলার ঘটনায় ইতালিতে মামলা করলেন বাঁধন
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান
  • ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলা-হেনস্তায় জড়িত কয়েকজনের পরিচয় মিলল
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • সরকারবিরোধী মতপ্রকাশ করলেই ধরে আনার সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে: রিজভী
  • ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনার সাক্ষাৎকার অপ্রত্যাশিত : তথ্য উপদেষ্টা
  • অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • দেশে ফিরলেই শেখ হাসিনাকে জেলে যেতে হবে : শামা ওবায়েদ
  • ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু