বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবো : ছাত্রদলের আবিদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন আবিদুল ইসলাম খান। এই পদে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৫,৭০৮) ভোট পেয়েছেন। বুধবার বিকালে ফেসবুকে এক পোস্টে নিজের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন তিনি। আগামী বছরের ডাকসু নির্বাচন কেমন হবে তারও ইঙ্গিত দিলেন আবিদ।

ছাত্রদলের ঢাবি শাখার এই যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবো, ইনশাআল্লাহ। এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।

আবিদ পোস্টে আরও লেখেন, ক্ষুদ্র জীবনে আমি এতদূর আসবো কোনোদিন ভাবিনি। নির্বাচনের আগের রাতে খালেদ মুহিউদ্দিন ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, পাঁচ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চাই? আমি কোনো সদুত্তর দিতে পারিনি। আসলে কখনোই জানতাম না নিজেকে কোথায় দেখতে হবে। একের পর এক আন্দোলন-সংগ্রাম এসেছে, নিজেকে রাজপথে সঁপে দিয়েছি। সেই পথই আজ আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে।

তিনি জানান, নির্বাচনের দিন শুরু হয় মিডিয়ার অপপ্রচার দিয়ে। দুপুর থেকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে একের পর এক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও যথাযথ সিদ্ধান্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসবে বলে তিনি এখনো আশা করছেন।

নিজের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে আবিদ লিখেছেন, মানুষ হিসাবে আমরা কেউ পরিপূর্ণ নই। আমি জানি, আমি আপনাদের জন্য যথেষ্ট কাজ করতে পারিনি। সত্যি বলতে জীবন আমাকে সেই সুযোগটুকুও দেয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মাত্র ২০ দিনের ক্যাম্পেইনে তিনি চেষ্টা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে। তবে সবাইকে ছুঁতে না পারলেও তিনি আশ্বাস দেন, আমার যাত্রা এখানেই শেষ নয়, আমার যাত্রা আরও দীর্ঘ। আমি এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন ছাত্রনেতা।

ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে আবিদ বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যা কিছু ছিল, তা একজন ছাত্রনেতা হিসেবেই প্রশাসনের কাছ থেকে আদায় করে নিতে তিনি কাজ করবেন। তার ভাষায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির নতুন শুরুটা আমাদের হাত ধরেই হবে। আমরা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে রাজপথ পাহারা দেবো। নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবো। ইনশাআল্লাহ, এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।

পরিশেষে তিনি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি উক্তি উল্লেখ করেন: We must accept finite disappointment, but never lose infinite hope.

বাংলায় এর অর্থ— ‘আমাদের সীমিত হতাশাকে মেনে নিতে হবে, কিন্তু অসীম আশাকে কখনো হারাতে নেই।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য প্রত্যাশিতভাবে দায়িত্ব পালনবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা অংশ নিতে পারবেন না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ডিআইজি, অতিরিক্তবিস্তারিত পড়ুন

  • শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, বিভেদ নেই: তারেক রহমান
  • দিল্লির প্রেস মিনিস্টার হলেন কলারোয়ার সন্তান সাংবাদিক সাইদুর রহমান
  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
  • গ্রেপ্তার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সামরিক আদালতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
  • পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি
  • চূড়ান্ত পর্যায়ে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
  • জুলাই সনদ বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
  • নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়: বিএনপি
  • হেফাজতের সমাবেশে হামলায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য মিলেছে : চিফ প্রসিকিউটর
  • বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে সরকারের খরচ প্রায় শূন্য, গত বিশ্বকাপে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ১৪০ কোটি টাকা