বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ব্যস্ততা বেড়েছে কলারোয়ার দর্জি কারিগরদের

চলছে রমজান। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ ফিতর। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এ আনন্দ ও খুশি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় নতুন পোশাক। তাই তো ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসে, ততই ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জি কারিগররা। এ সময় মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে দর্জিদের দুয়ারেও।
এবারের ঈদুল ফিতর ঘিরেও এর ব্যতয় ঘটেনি।এই ঈদকে সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দর্জি কারিগররা।রোজার আগে থেকেই অর্ডার নেয়া হচ্ছে। আজ থেকে নতুন অর্ডার নেয়া বন্ধ, বলে জানিয়েছেন উপজেলার টেইলার্স মালিকরা।

ঈদকে সামনে রেখে এখন সেলাই মেশিনের শব্দে মুখর দর্জির পল্লী। বাহারি নকশার কাপড় বানাতে সেখানে ভিড় করছেন অনেকেই। উপজেলার দর্জি কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই এখন। অবশ্য ব্যস্ততা শুরু হয়েছে রোজার আগে থেকেই।

সরেজমিনে পৌর সদরের ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের হাট-বাজারের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোটবড় প্রতিটি দোকানেই সেলাই কাজের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছে প্রকার ভেদে ৮ থেকে ১০টি অর্ডার করা পোশাক। সামনে ঈদ তাই রুজি-রোজগারের একমাত্র সম্বলটি যেন একমুহূর্তের জন্যও বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। নতুন করে অর্ডার এখনো চলছে বলে জানা গেছে।

চাহিদামতো নতুন পোশাক পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। পছন্দমতো পোশাক বানাতে ক্রেতারা ছুটছেন টেইলার্সগুলোতে।

কলারোয়া পৌর সদরের নুর টেইলার্সের নুরুজ্জামান ও স্টাইল টেইলার্স, স্নেহা টেইলার্সের মালিক বলছেন ও যমুনা টেলার্সের মালিক বিল্লাল বলছেন পছন্দের পোশাকের জন্য রেডিমেড থ্রিপিস ও থানকাপড় কিনে ক্রেতারা পাড়ি জমাচ্ছেন দর্জি দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের পছন্দ মতো পোশাক বানাতে দিনরাত দোকান খোলা রেখে কাজ করছেন দর্জিরাও।

টেইলার্স মালিক নুরুজ্জামান বলেন, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পোশাক বানাতে অর্ডার বেশি। বিশেষ করে সুতি, সিল্ক, জর্জেট, কাপড়ের পোশাক বানানো হচ্ছে। এক সেট থ্রিপিস বানাতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। শার্ট বানাতে মজুরি লাগছে ২০০-৩০০ টাকা, প্যান্ট বানাতে মজুরি লাগছে ৪০০-৫০০ টাকা।বিভিন্ন মার্কেট ও স্থান ভেদে এসব মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দর্জিরা জানান।

বাজারে নতুন পোশাক অর্ডার দিতে টেইলার্সের কাছে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, আর কিছুদিন পর আমাদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ছেলে মেয়েদের নতুন পোশাকের অর্ডার দিতে বাজারে আসছি। কিন্তু পোশাকের মজুরির যে দাম আমরা তাতে হিমশিম খাচ্ছি। আমরা যারা নিম্নআয়ের মানুষ আছি তাদের জন্য খুবই সমস্যা। পোশাকের দাম ও মজুরির দাম বাড়লেও আমাদের তো আর আয় বাড়েনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

কলারোয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০ গ্রামবিস্তারিত পড়ুন

সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ থেকে বৃত্তি প্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

কলারোয়ার সোনাবাড়ীয়া একাডেমিক নলেজ কোচিং থেকে প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় টানা বৃষ্টিতে ১২ হাজার হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট, দিশেহারা কৃষক

গত বৃহস্পতিবার রাতের টানা ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমিবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন পানিতে দেশি মাছ ধরার উৎসব, রাজগঞ্জের খাল-বিলে মাছ শিকারে মানুষের ঢল
  • কলারোয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী মহিলা শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সভা
  • কলারোয়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
  • কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শনে এমপি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়া পৌরসভা : দুই পাশে উন্নত সড়ক, মাঝখানে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ
  • কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি
  • কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা
  • কলারোয়ার সেই অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্রের পাশে তারেক রহমান
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে জনতা ব্যাংকারদের ফুলেল শুভেচ্ছা
  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ানুষ্ঠান
  • যুব ও তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে হবে : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব