মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরার বৈচনায় দুই সন্তানের জননীর মৃত্যু নিয়ে চলছে গুঞ্জন

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়ন-এর বৈচনা গ্রামে নিপা খাতুন রুনা (৩২) নামে দুই সন্তানের জননীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের এক পক্ষের অভিযোগ এটি পরিকল্পিত হত্যা, অন্যদিকে স্বামীর দাবি- এটি আত্মহত্যা। ফলে পুরো ঘটনায় ‘হত্যা নাকি আত্মহত্যা’- এই প্রশ্নই এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে।

নিহত নিপা খাতুন রুনা ওই এলাকার মুজাফফর হোসেনের স্ত্রী। প্রায় ১৪ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে- ইমরান হোসেন (১২) ও ইব্রাহিম হোসেন (৮)। দীর্ঘ সংসার জীবনের পর হঠাৎ এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও সন্দেহের জন্ম হয়েছে।

নিহতের বাবা আওরঙ্গজেব অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ের ওপর পারিবারিক নির্যাতন চলছিল। তার দাবি অনুযায়ী, স্বামীর সঙ্গে অন্য এক নারীর কথিত পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয় এবং প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৭ জুন রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর ৮ জুন ভোরের দিকে পরিকল্পিতভাবে তার মেয়েকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে বিষয়টি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, অসুস্থ অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয় এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে নিহতের স্বামী মুজাফফর হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং ছুটিতে বাড়িতে ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে (কুয়েত মিশন) যাওয়ার বিষয় নিয়ে স্ত্রী তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছিল।

তিনি দাবি করেন, ৭ জুন রাতে তিনি অভিমান করে খাবার না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে স্ত্রী তাকে খাবার খেতে ডাকলেও তিনি না খাওয়ায় অভিমান থেকে স্ত্রী বিষপান করেন। পরে স্ত্রী নিজেই তাকে বিষ খাওয়ার কথা জানান এবং তিনি দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। এটি আত্মহত্যা; কোনো প্রকার পরকীয়া বা শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের অংশ হিসেবে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই বৈচনা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কেউ বলছেন এটি পারিবারিক কলহের ফল, আবার কেউ মনে করছেন এটি আত্মহত্যা। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

একজন দুই সন্তানের মায়ের মৃত্যু ঘিরে সৃষ্টি হওয়া এই রহস্য এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে- প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে শিক্ষকে গণপিটুনি, পুলিশে হস্তান্তর

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ইন্দিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুস্তাফিজুরবিস্তারিত পড়ুন

স্ক্রিপ্টিস্ফিয়ারের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

মানবসেবা ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্ক্রিপ্টি স্ফেয়ার’বিস্তারিত পড়ুন

সাংবাদিক আনিছুর রহমানের অসুস্থ মাকে দেখতে হাসপাতালে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাতক্ষীরা সাংবাদিকবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় ওজোপাডিকো কার্যালয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন
  • সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, আলোচনায় নাসিম ফারুক খান মিঠু
  • সাতক্ষীরায় ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতায় জনতার ঢল
  • তালা ডাকবাংলার নতুন ভবন নির্মাণ হবে: জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব
  • সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল!
  • সাতক্ষীরায় নারী, শান্তি ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা
  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস : সাতক্ষীরায় হেডের আলোচনা সভা ও বৃক্ষ রোপণ
  • সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের উদ্যোগে শুভেচ্ছা মিছিল
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচছা
  • লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছেছে সাতক্ষীরায়
  • ‎ব্লু ইকোনমি ও সাতক্ষীরা উপকূল ‎