রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দেব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ কৃষি নির্ভর। আমাদের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। আমরা এ কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের জন্য কৃষককে যন্ত্রপাতি দিয়েছি। ৭০ হাজার যন্ত্রপাতি কৃষকদের দেয়া হয়েছে। বিশাল অংকের টাকাও দিয়েছি। যখন যা প্রয়োজন দিয়েছি, কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দিব।

তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও জাত আবিস্কারের বিকল্প নেই। এজন্য গবেষণা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা গবেষকদের প্রণোদনা দিতে চাই। প্রণোদনা দেয়ার উপায় বাতলে দিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রকাশিত ‘১০০ কৃষি প্রযুক্তি এটলাস’ এর প্রকাশনা উৎসবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উৎসবে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নতুন নতুন কৃষি পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাত করে নিজেদের বাজার ধরে রাখতে হবে। দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরেও রফতানি করতে হবে। এজন্য স্বল্পখরচে বেশি ফলদায়ক পণ্য আবিস্কার ও চাষাবাদে মনোযোগী হতে হবে। এজন্য গবেষণাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা বাড়াতে বিজ্ঞানীদের প্রণোদনা দিতে চাই। এজন্য আমি উপায় খুঁজেছি, পাইনি। আপনারা এ বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের (বিজ্ঞানী) উদ্ভাবনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের উদ্ভাবনের অতিগুরুত্বপূর্ণ ১০০টি জাত নিয়ে এটলাস প্রকাশ করেছেন, একটা ভালো উদ্যোগ। এটি ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। অন্যরা উপকার পাবে।

এ সময় তার সরকারের কৃষি উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকের কৃষিক্ষেত্রে যে উন্নয়ন, তার শুরুটা জাতির পিতাই করে গেছেন। বীজ তিনিই বপন করেছেন। আমরা ১৯৯৬ ক্ষমতায় এসেও সে কাজ চলমান রেখেছি। এখনও সে কাজ করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে নানা আইন, অর্থ বরাদ্দ, গবেষণাগার ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছি।

জাতির পিতা বলেছেন, আমার মাটি এত উর্বর সেখানে বীজ পড়লেই গাছ হয়, ফল হয়। এই যায়গার মানুষ কেনো না খেয়ে থাকবে? আমিও বলেছি, কোনো এলাকায় কোন ফল ভালো হয়, এর একটা ম্যাপিং প্ল্যান দরকার। এখানে অল্প খরচে একেক এলাকায় একেক ফল ভালো হতে পারে। অল্পখরচে অধিক লাভবান হবো, এমন কিছু পণ্য গবেষণা করে বের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলকার মাটির উর্বরতা, পানির সরবরাহ, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবেশ বিবেচনায় একটা ভালো গবেষণা করে পরিকল্পনা করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, করোনায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষকে আমরা সাহায্য দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এই করোনায় কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে ধান কাটিয়ে বাড়িতে তোলারও ব্যবস্থা করেছি। আমাদের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সারাদেশে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এতে স্বগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব মেসবাউল ইসলাম, আরও বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী, সফল কৃষক রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশের গুলিতে শহীদ কে.বিস্তারিত পড়ুন

চারদিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চারদিনের সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরেবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী

সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকট চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে তরুণদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ অন্য দেশের অংশীদার হতে চায়, নির্ভরশীল নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস
  • বাংলা কিউআরে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বের সম্ভাবনা
  • ফোনে সহজেই চালু করুন স্টারলিংকের মোবাইল সেবা
  • রমজানে খাদ্যসংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি খাদ্যমন্ত্রীর
  • উড্ডয়নের পর খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অবতরণ
  • সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
  • দেশে মাদক মহামারি আকার ধারণ করছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী
  • স্মৃতির খামে বন্দি হলুদ চিঠি: সেবা বাড়লেও টানাপোড়েনে ডাক বিভাগ
  • স্বাস্থ্য খাতের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করেছে সরকার: চিফ হুইপ
  • বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ঈশ্বরদী হাসপাতালে মোম ও মোবাইলের আলোয় চিকিৎসাসেবা