শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এক বিরল ইতিহাস গড়েছেন। এ বিশ্ব সংস্থার সাধারণ বিতর্কের ৮১তম অধিবেশনে তিনি তাঁর প্রথম ভাষণ দেন।

সম্পূর্ণ বাংলায় দেওয়া তাঁর এই প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন দিগন্তের উন্মোচনের পাশাপাশি জাতিসংঘের ইতিহাসেও এক বিরল অধ্যায় রচনা করেছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ইতিহাসে এর আগে কখনো একই পরিবারের তিন সদস্য- বাবা, মা ও ছেলে- রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান হিসেবে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেননি।

পারিবারিক সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ব দরবারে নিজের মাতৃভাষায় কোটি কোটি বাংলাদেশির আশা-আকাঙ্ক্ষা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক চেতনার কথা তুলে ধরেছেন।

নিউইয়র্ক সময় বিকেলে সাধারণ পরিষদ হলে তিনি এ ভাষণ দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে ভাষণে সম্বোধন করে বলেন, ‘জাতিসংঘের এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে এই মুহূর্তে আজ আমি কিছুটা স্মৃতিকাতর। এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েই আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া দেশ এবং জনগণের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিলেন। একইভাবে আজ আমিও আমার দেশ এবং জনগণের স্বার্থের পক্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব সমাজের প্রত্যাশায় এখানে দাঁড়িয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরেন। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক বিষয়াবলি এবং রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তারেক রহমানের এই ভাষণ তাঁর পরিবারের সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পৃক্ততার একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে।

তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন।

ওই ভাষণে জিয়াউর রহমান ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেছিলেন।

এছাড়া তিনি শান্তি, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং দেশগুলোর পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

এর তেরো বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভাষণ দেন।

জাতিসংঘের নথিপত্র অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তিনি মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন।

এছাড়া খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ সভা, ২০০২ সালে শিশু বিষয়ক ২৭তম বিশেষ অধিবেশন এবং ২০০৫ সালে ৬০তম অধিবেশন চলাকালীন দুটি পৃথক সভায় ভাষণ দিয়েছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য আট সদস্যের একটি কমিটিবিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয়বিস্তারিত পড়ুন

বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর ডেপুটি স্পিকারের গুরুত্বারোপ
  • আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী
  • আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • এআই বিপ্লবে পিছিয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিশুরা
  • নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজি বাজার, দাম বাড়িয়েও মিলছে না সিলিন্ডার
  • ধর্মঘট করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : জ্বালানিমন্ত্রী
  • চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের
  • এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোর, বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা?
  • এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানির সিদ্ধান্ত