মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রধনমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট দেশের ৬৬.৩ শতাংশ মানুষ। ডপলার রিসার্চ বাংলাদেশ লিমিটেড নামে স্বাধীন জনমত গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ওই জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসালটিংয়ের অর্থায়ন ও সহায়তায় পরিচালিত এই জরিপের ফলাফল বুধবার (১৯ আগস্ট) প্রকাশিত হয়েছে।

জরিপে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোরালো সমর্থন পাওয়া গেলেও সরকারের কাজ এবং দেশ কোন পথে চলছে—এই দুই প্রশ্নে সন্তুষ্টির হার তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়েছে।

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে মানুষ আশাবাদী, কিন্তু একইসঙ্গে তারা বলছেন, অর্থনৈতিক অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে। খাদ্য ও জ্বালানির দাম এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন উত্তরদাতারা।

জরিপের মাঠপর্যায়ের কাজ পরিচালিত হয়েছে এই আগস্টেই। সরাসরি এক সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের একটি প্যানেলের ওপর জরিপকালে ১০ হাজার ৪১৩টি কল করা হয়।

এ সংক্রান্ত ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ডপলার রিসার্চ বলছে, সরকারের ১৮০ দিনের কাজ নিয়ে জনমত যাচাইয়ের জরিপে যে চিত্র উঠে এসেছে, তাকে বলা যায় ‘সতর্ক আশাবাদ’। মানুষ প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের কাজে সন্তুষ্ট, কিন্তু দেশ কোন পথে চলছে তা নিয়ে তারা বিভক্ত। আর দৈনন্দিন জীবনে উন্নতি হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নে তারা এখনও সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার সরকারের চেয়ে বেশি: জরিপে অংশ নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। ২১ দশমিক ৬ শতাংশ বলেছেন, তিনি ভালো করছেন না। বাকি ১২ দশমিক ১ শতাংশের কোনো মতামত নেই কিংবা তারা উত্তর দিতে চাননি।

এই মূল্যায়ন প্রায় সব ক্ষেত্রেই অভিন্ন। বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা ও আয়—সব শ্রেণিতেই এই হার ৬১ দশমিক ৭ থেকে ৭০ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে এবং আটটি বিভাগের প্রতিটিতে ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ বা তার বেশি।

সরকারের কাজে সন্তুষ্টির তুলনায় প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার বেশি। এমনকি অন্য দলের সমর্থকদের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সন্তুষ্ট।

সরকারের কাজকে ভালো বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ, খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রতিটি দলীয় সমর্থকগোষ্ঠীতেই একই ক্রম দেখা গেছে—প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সরকারের ওপরে, আর সরকারের অবস্থান দেশের গতিপথ নিয়ে মূল্যায়নের ওপরে।

দেশ সঠিক পথে চলছে, বলছেন অর্ধেকের কিছু কম: জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন, দেশ সঠিক পথে চলছে, আর ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন, ভুল পথে। ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো উত্তর দেননি—যা জাতীয় পরিস্থিতি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জরিপের অন্য যেকোনো প্রশ্নের তুলনায় এই প্রশ্নেই মতভেদ সবচেয়ে বেশি। বিএনপির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন, দেশ সঠিক পথে আছে। আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ক্ষেত্রে এই হার সর্বনিম্ন—৩৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

খাদ্য ও জ্বালানির মূল্য এবং বিদ্যুৎ নিয়ে নাগরিকরা উদ্বিগ্ন: দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী—কোনো তালিকা না দিয়ে এই প্রশ্ন করা হলে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কথা এবং ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ বলেছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের কথা। তৃতীয় স্থানে আইনশৃঙ্খলা (৩২ দশমিক ৬ শতাংশ) এবং চতুর্থ স্থানে কর্মসংস্থান (৩০ দশমিক ৮ শতাংশ)।

যে দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বড় সমস্যা বলা হয়েছে, সেই দুটির ক্ষেত্রেই সরকারের কাজের মূল্যায়ন সবচেয়ে খারাপ। ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ বলেছেন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা খারাপ হচ্ছে, ৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ বলেছেন জ্বালানি ও গ্যাসের ক্ষেত্রে এবং ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ বলেছেন নিত্যপণ্যের মূল্যের ক্ষেত্রে।

কঠিন এক বছর পেরিয়ে, সামনের বছর ভালো যাওয়ার প্রত্যাশা: জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাদের পরিবারের অবস্থা খারাপ হয়েছে; ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন ভালো হয়েছে।

সামনের ১২ মাসে অবস্থা ভালো হবে বলে আশা করছেন ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ, খারাপ হবে বলে মনে করেন ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশ নিয়ে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ এক বছর আগের চেয়ে বেশি আশাবাদী, ৩৯ শতাংশ কম আশাবাদী এবং মাত্র ৬ দশমিক ২ শতাংশ বলেছেন কিছুই বদলায়নি।

বিরোধী নেতাদের গ্রহণযোগ্যতা ভালো: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের কাজকে ভালো বলেছেন ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ; জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়কের কাজকে ভালো বলেছেন ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

নারী ও সংখ্যালঘুরা তুলনামূলকভাবে কম নিরাপদ বোধ করেন: নিজের এলাকায় সন্ধ্যার পর একা হাঁটতে নিরাপদ বোধ করেন ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারী, পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

সকল ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্তবিস্তারিত পড়ুন

নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতারবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • মেয়র নির্বাচনের জন্য আমি শতভাগ প্রস্তুত আছি: ইশরাক
  • প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন
  • এবার বাংলাদেশে সৌহার্দ্যপূর্ণ দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে: দিনেশ ত্রিবেদী
  • জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন
  • মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
  • বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগকে মাফ করতে চেয়েছিল জামায়াত: রিজভী
  • জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী
  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার কারণ জানালেন ইশরাক
  • সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী
  • বর্জ্যের পাহাড়কে সবুজে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী