বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মিয়ানমারে ‘প্রহসনের’ নির্বাচন, ৫০% এর বেশি ভোট পড়ার দাবি জান্তার

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা জানিয়েছে, দেশটিতে তাদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রথম ধাপে যোগ্য ভোটারদের মধ্যে ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশের বেশি ছিল।

২০২১ সালে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, যার পর থেকে দেশটি গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। গত রোববার তারা এক মাসব্যাপী ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু করে, যা জনগণের হাতে আবার ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

তবে মানবাধিকার কর্মী ও পশ্চিমা কূটনীতিকরা এই নির্বাচনকে নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ভিন্নমত দমনে কঠোর দমননীতি চলছে এবং প্রার্থী তালিকায় সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠদের আধিক্য রয়েছে, যা সেনাবাহিনীর শাসন দীর্ঘায়িত করতে পারে।

মিয়ানমারের প্রধান সামরিকপন্থি দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) এই সপ্তাহে নির্বাচনের প্রথম ধাপে বিপুল জয়ের দাবি করেছে। একই সঙ্গে জান্তা অভিযোগ করেছে, সপ্তাহান্তে বিদ্রোহীরা ভোটকেন্দ্র ও সরকারি ভবনে হামলা চালিয়েছে।

জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন এক রেকর্ডকৃত বার্তায় জানান, প্রথম ধাপে ভোট দেওয়ার যোগ্য ১ কোটি ১৬ লাখের বেশি মানুষের মধ্যে ৫২ শতাংশ ভোট দিয়েছেন, অর্থাৎ ছয় মিলিয়নেরও বেশি ভোটার।

মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার উপস্থিতি দেখা যায় না।

তিনি আরও বলেন, এই সফল নির্বাচন আমাদের সরকারের বিজয় নয়। এটি আমাদের দেশ ও জনগণের বিজয়।

স্বাধীনতার পর মিয়ানমারের ইতিহাসের বেশিরভাগ সময়ই দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। পরে প্রায় এক দশক বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় ছিল।

তবে ২০২০ সালের নির্বাচনে নোবেলজয়ী অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দল সামরিকপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের বড় ব্যবধানে পরাজিত করার পর, সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন।

২০২০ সালের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

কিন্তু আগের নির্বাচনে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ানো বিপুলসংখ্যক তরুণ ভোটারকে রোববারের ভোটে দেখা যায়নি।

সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি ছেড়ে বহু মানুষ বিদেশে চলে গেছে।

এছাড়া যারা এখনও দেশে রয়েছেন, তাদের অনেকেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী নন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ভোটকে সামরিক শাসনকে নতুনভাবে বৈধতা দেওয়ার জন্য সাজানো এক ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছে।

সূত্র: এএফপি

একই রকম সংবাদ সমূহ

উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়াবিস্তারিত পড়ুন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ
  • বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার
  • জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা, মৃ’ত্যুদণ্ড ১৩ জনের
  • মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন দীনেশ ত্রিবেদী
  • অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ: স্পিকার
  • ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর
  • আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যেকোনো কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা র‍্যাবের
  • জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ‘সংশয়-অবজ্ঞা’ দেখছে সুজন