বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সালাম দিতে ভুল, খতিবকে ‍‍‍ছাগল-বেয়াদব বললেন ইউএনও! (ভিডিওসহ)

সালাম না দেয়ায় উপজেলা পরিষদ মসজিদের খতিবকে কট‚ক্তির অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই খতিব।

অভিযোগকারী কলারোয়া উপজেলা মসজিদের খতিব মোঃ মতিউর রহমান বলেন, “আমি তিন বছর ধরে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ মসজিদের খতিবের দায়িত্ব পালন করছি। গত ১২ রবিউল আওয়াল মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কীভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যায় সেটি জানার জন্য গত ৮ অক্টোবর ইউএনও স্যারকে ফোন দেই। কিন্তু বেখেয়ালে সালাম দিতে ভুলে যাই। কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে আবার ফোন ব্যাক করে বলেন, ‘আমাকে সালাম করলেন না কেন? আমার স্বাক্ষরে আপনার বেতন হয়’।”

তিনি আরও বলেন, তখন আমি বলেছি, সামনে খেয়াল রাখবো। তখন তিনি (ইউএনও) বলেন, ‘আপনি তো বেয়াদব মানুষের মতো আচরণ করছেন। আপনি নিজে বেয়াদব মানুষকে কী শেখাবেন, বলে বকাবকি করেন।’ তখন আমি আবারও বলি, স্যার সামনে থেকে খেয়াল রাখবো। আমি একটু বেখেয়াল হয়ে গিয়েছিলাম।”

খতিব বলেন, ‘গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ইসলামী ফাউন্ডেশন চিঠি দিয়ে আমাকে মিটিংয়ে আমন্ত্রণ জানালে আমি সেখানে উপস্থিত হই। সেখানে ইউএনও স্যার পূর্বের সালাম না দেওয়ার কথা তোলেন। তখন আমি বলি, স্যার আমি একটু বেখেয়াল হয়ে গিয়েছিলাম। এ ছাড়া আমি সবসময় সালাম দেই।’

ইউএনও বলেন, ‘আমার চেহারা কি এত ভালো যে আমার চেহারা দেখলে আপনি বেখেয়াল হয়ে যান? অন্যরা তো কেউ বেখেয়াল হয় না। আপনি বেখেয়াল হয়ে যান। বেয়াদব কোথাকার। বের হন, বের হয়ে যান এখান থেকে। যান, বের হয়ে যান।’ এর আগে বলেন, ছাগলটা এখনও বের হয়নি! এই বলে সেখান থেকে আমাকে বের করে দেন। এ ঘটনায় আমি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগে মাস খানেক আগে মসজিদের মোয়াজ্জেম হাফেজ মাসুদুর রহমানকে তিনি বলেছেন, ‘আপনি কি গাঁজা খান?’ তিনি বলেন, ‘সুনামের সঙ্গে আমরা দায়িত্বপালন করছি কিন্তু এর আগে কখনো কোনো ইউএনও এভাবে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি।’

মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা ইসলামী ফাউন্ডেশনের ফিন্ড সুপার ভাইজার শাহজাহান কবির বলেন, “স্যার না বলায় সম্ভবত ইউএনও স্যার একটু মাইন্ড করেছেন। মূলত সে কারণে আমাদের মিটিংয়ে একটু ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন স্যার। বলছিলেন, ‘আমাকে দেখেই আপনি বেখেয়াল হয়ে যান। অন্য কেউ তো হয় না।’ এরপর তাকে মিটিং থেকে বের করে দেন।”

অভিযোগের বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস বলেন, ‘আমি উপজেলা মসজিদ কমিটির সভাপতি। বিভিন্ন সময় তাদের সঙ্গে আমার মিটিং হয়। তবে কোনো খারাপ ব্যবহারের ঘটনা ঘটেনি।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হিজলদী মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন করাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের কারাদণ্ড

মোস্তফা হোসেন বাবলু,: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় হুতিদের আগ্রাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সৌদি আরব ও পবিত্র মক্কার মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদেবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃ/ত্যু
  • কলারোয়ায় ৮০জন মেধাবী শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পেলো বাইসাইকেল
  • কলারোয়ায় নকল-ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
  • অল্প বয়সীদের হাতে স্মার্টফোন মানেই কবর রচনা : সাতক্ষীরার ডিসি
  • কলারোয়ায় অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ভ্যান ও হুইলচেয়ার বিতরণ
  • কলারোয়ায় আ.লীগ সদস্যসহ দুই ব্যক্তি গ্রেফতার
  • ‘ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ে ছাত্র-জনতার রক্তের ঋণ শোধ করব’: কলারোয়ায় ইজ্জত উল্লাহ এমপি
  • জাপানে আন্তর্জাতিক অর্থোপেডিক কংগ্রেসে অংশ নিচ্ছেন ডা.মোঃ মাহমুদুল হাসান পলাশ
  • কলারোয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান
  • সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা
  • কলারোয়ায় ইলিশ যেনো রুপকথায়! সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে
  • কলারোয়ায় পৃথক অভিযান ও মামলায় ৭ ব্যক্তি আটক