রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্ত্রী মিতু হত্যা মামলায় স্বামী সেই সাবেক এসপি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার বাদী তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (১১ মে) পিবিআই চট্টগ্রামের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এর আগে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাবুল আক্তারকে।

জিজ্ঞাসাবাদের পর পিবিআই মহাপরিচালক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মিতু হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, বাদী বাবুল আক্তারের সাথে পিবিআইয়ের লাগাতার আলোচনা হচ্ছে। আজও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি মিতু হত্যা মামলায় তদন্তের সর্বশেষ লিখিত অগ্রগতির তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

মামলার অন্যতম আসামি কারাবন্দি মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমের জামিন শুনানিতে ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ মামলা সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আবু নসুর গুন্নু, শাহ জামান ওরফে রবিন, সাইদুল আলম শিকদার ওরফে সাক্কু ও শাহজাহান, মো. আনোয়ার ও মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমকে আটক করে পুলিশ।

এ হত্যার ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে আটক হন এহেতাশামুল হক ভোলা ও তার সহযোগী মো. মনির। তাদের কাছ থেকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়, যা মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছিল তখন।

গ্রেফতার আনোয়ার ও মোতালেব মিতু হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তাদের স্বীকারোক্তিতে মিতু হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাম আসে বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত মো. মুছার।

মিতুর বাবা পুলিশের সাবেক পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারকে দায়ী করেন। তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগ সাপেক্ষে বেশকিছু তথ্য দেন বলে জানান মোশাররফ হোসেন। ২০১৭ সালের ২৪ জুন রাতে ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবুল আক্তারকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

চাঞ্চল্যকর এই মামলার কোনো কূলকিনারাও করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত মামলাটির তদন্তভার ‘আদালতের নির্দেশে’ গত বছরের জানুয়ারিতে চলে যায় পিবিআইতে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব : প্রধানমন্ত্রী

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আসুন, আজ এই জাতীয়বিস্তারিত পড়ুন

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে দমিয়ে রাখতে পারবেবিস্তারিত পড়ুন

৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীতে ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে পায়ে হেঁটে নেতাকর্মীদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
  • জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • তাহসিফ হ-ত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ
  • কারাগারে নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ৭ দফা নির্দেশনা
  • কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ
  • দেয়ালে আওয়ামী স্লোগান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৫ শিক্ষার্থী শনাক্ত
  • দেশে ৩ সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
  • রমজান আসার আগেই ছোলার বাজারে উত্তাপ
  • ফ্যাসিবাদী শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে : জামায়াত আমির
  • ৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিন