রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

হাসিনার বিচার শেষ পর্যায়ে, রায় শীঘ্রই

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা বিচার এখন শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে মাত্র ৯ দিনে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এদের মধ্যে আন্দোলনে শহীদ হওয়া ৬ জনের বাবা-মা ও ভাই, আহত আন্দোলনকারী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক রয়েছেন। সাক্ষীরা এক কণ্ঠে বলেছেন—হাজারো মানুষ হত্যার জন্য শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের ফাঁসি হওয়া উচিত।

প্রসিকিউশন জানিয়েছে, মামলায় আরও অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন সাক্ষী আদালতে হাজির হবেন। অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে। এরপর উভয় পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। প্রসিকিউশনের মতে, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার কথা। এরপর ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য দিন ঘোষণা করবে।

এই মামলায় মোট সাক্ষী রয়েছেন ৮১ জন, যাদের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা ও একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকও আছেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।

ট্রাইব্যুনালের জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ অক্টোবরের মধ্যেই সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হবে। এরপর আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন।

তিনি আরও জানান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ইতোমধ্যেই দোষ স্বীকার করেছেন এবং রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হিসেবে সাক্ষ্য দেবেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আইনজীবীরা চূড়ান্ত যুক্তি উপস্থাপন করবেন।

গত ১০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে ১ হাজার ৪০০ আন্দোলনকারীকে হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনা, ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ এবং ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ’-এর মোট ৫ অভিযোগে বিচার শুরু করার আদেশ দেয়। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

চৌধুরী আল-মামুন মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ করছে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর একটি হলো আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-খুনের ঘটনা, অন্যটি রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশের গুলিতে শহীদ কে.বিস্তারিত পড়ুন

চারদিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চারদিনের সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরেবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী

সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকট চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে তরুণদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ অন্য দেশের অংশীদার হতে চায়, নির্ভরশীল নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস
  • বাংলা কিউআরে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বের সম্ভাবনা
  • উড্ডয়নের পর খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অবতরণ
  • দেশে মাদক মহামারি আকার ধারণ করছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • স্বাস্থ্য খাতের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করেছে সরকার: চিফ হুইপ
  • বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী